আজ শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০ ইং

বিয়ে করে ভুল করেছি: শাবনূর

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৩-০৮ ১৮:৩৯:০৮

সিলেটভিউ ডেস্ক :: ‘সবাই বলায় হঠাৎ ইচ্ছে হয়। আমিও ভাবছিলাম, বিয়ে করলে হয়তো জীবনটা অন্য রকম হতে পারে। কিন্তু ধারণাটাই ভুল। বিয়ের পরও আমার জীবনটা বিয়ের আগের মতোই ছিল। স্বামী–স্ত্রীর জীবন কেমন হয়, বিয়ের পরও তা আমি বুঝিনি। তখনই মনে হয়েছে, বিয়ে করে ভুল করেছি।’

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে অস্ট্রেলিয়া থেকে এমনটাই জানান দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনীক মাহমুদের সঙ্গে আংটি বদল করেন শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিয়ে করেন তাঁরা। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক ছেলেসন্তানের মা হন শাবনূর। ছেলেকে নিয়ে তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন।

শাবনূর বলেন, সারা জীবন আমি স্বাধীনভাবে ছিলাম। চলচ্চিত্রে স্বনির্ভর হয়ে কাটিয়েছি, পাশে আরেকজন পুরুষ মানুষ থাকলে কতটা নির্ভার থাকা যায়, সেটা বুঝতে পারিনি। তাই আমার একা থাকা না–থাকায় কোনো কিছু যায় আসে না। আমি আমার মতো বেশ ভালোই আছি।

বিয়ে করাটা ভুল ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভাবে বিয়ে করার কোনও মানেই হয় না। আমিই যদি সবকিছু করতে পারি, তাহলে আরেকজন মানুষ পাশে থাকার কি দরকার। আমার কথা হচ্ছে, যে পুরুষ মানুষটি আমার জীবনের সঙ্গে জড়াবে, সে আর কিছু না পারুক, অন্তত আমাকে স্বস্তির আশ্রয় দিতে তো পারে। সংসারজীবনে আমি এতটাই দুর্ভাগা যে এই শান্তিটুকু আমার হয়নি। বিয়ের পর এক দিনও শান্তি পাইনি। তারপরও মানিয়ে নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সন্তান জন্মের পর মনে হলো, না, এর চেয়ে একা থাকাটাই সবচেয়ে ভালো।

স্বামী অনীক মাহমুদের সঙ্গে ডিভোর্স চেয়ে গত ২৬ জানুয়ারি নোটিশ পাঠিয়েছেন শাবনূর। গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় এসে এই সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গেছে। বনিবনা না হওয়ার কারণেই সংসারে বিচ্ছেদ চেয়েছেন তিনি। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভালোবেসে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করেন শাবনূর ও অনীক মাহমুদ। বিয়ের পরের বছরই ২৯ ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেয় ছেলেসন্তান আইজান নিহান।

শাবনূরের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, সন্তান জন্মের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে শাবনূরের একটা দূরত্ব তৈরি হয়। অনেকগুলো বিষয়ে মতের অমিল হচ্ছিল। এরপর আমরা আলাদা থাকা শুরু করি। ভেবেছিলাম, একটা সময় উপলব্ধিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু তা আর হয়নি। এরপর অনীকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলা হয়। অনেক চেষ্টার পরও বনিবনা হচ্ছিল না দেখে আলাদা থাকা শুরু করি। এরপর আইনজীবীর মাধ্যমে ২৬ জানুয়ারি তালাক নোটিশ অনীকের বাসায় পাঠানো হয়।

সৌজন্যে : পূর্বপশ্চিম
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ ০৮ মার্চ ২০২০/জিএসি

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন