আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং

নবী-রসুলদের স্মৃতিময় পাহাড়-পর্বত

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৮-২৮ ১১:১৬:১৫

সিলেটভিউ ডেস্ক :: সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা পবিত্র দুই নগরী। এ ছাড়া আরও কয়েকটি দেশে ইসলামের নিদর্শন আছে। মহান আল্লাহর নির্দেশে প্রথম মানব ও নবী আদম (আ.) কর্তৃক মক্কায় পবিত্র কাবাঘর নির্মাণের মাধ্যমে এই নগরীর সূচনা হয়েছিল। কাবাঘরের সঙ্গে ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর অবিস্মরণীয় স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে নানা পাহাড় ও পবর্তের গুহা। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে পাহাড়ের গুরুত্বের কথা বর্ণিত রয়েছে। পবিত্র কোরআন নাজিলের সময় রসুল (সা.) পাহাড়ে অবস্থান করছিলেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কুরাইশদের হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছিলেন পাহাড়ে। এগুলো ছাড়াও মহানবী (সা.)-এর আগের নবী ও রসুলদের সঙ্গে জড়িয়ে  রয়েছে পাহাড় নিয়ে নানা ঘটনা। ইসলামের ইতিহাসের এমন পবিত্র পাহাড় নিয়ে আজকের আয়োজন...

সাফা ও মারওয়া

এই পাহাড় দুটি অবস্থিত পবিত্র নগরী মক্কায়। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর আদেশে তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আ.) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-কে অল্প কিছু খাদ্যদ্রব্যসহ সাফা ও মারওয়ার কাছে মরুভূমিতে রেখে আসেন। এই জনমানবহীন মরুভূমিতে মা ও শিশুর পানাহার সামগ্রী দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তারপর হাজেরা পানির জন্য এই দুই পাহাড়ের মাঝে সাতবার যাওয়া-আসা করেন। এ সময় তিনি ইসমাইল (আ.)-কে একা রেখে যান। প্রথমে তিনি আশপাশের এলাকা দেখার জন্য সাফা পাহাড়ে ওঠেন। কিছু না দেখার পর তিনি পার্শ্ববর্তী মারওয়া পাহাড়ে ওঠেন। পাহাড়ের চূড়া থেকে তিনি ইসমাইলকে দেখতে পাচ্ছিলেন। কিন্তু মধ্যবর্তী স্থান থেকে তাকে দেখা সম্ভব ছিল না। ফলে তিনি এই অংশে স্বাভাবিকের চেয়েও দ্রুত এগিয়ে যান। এভাবে সাতবার চলাচলের পর ফিরে এসে তিনি দেখতে পান যে, শিশু ইসমাইল (আ.) কান্না করছেন। আর তার পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে পানির ধারা বের হচ্ছে। তিনি এই পানির ধারাকে পাথর দিয়ে বেঁধে দেন। এরপর থেকে এটি জমজম কুয়া নামে পরিচিত হয়। আজও জমজম কূপ থেকে বিরামহীনভাবে পানি উঠছে। মা হাজেরার পুণ্যময় স্মৃতির স্মারক হিসেবে কিয়ামত পর্যন্ত হজযাত্রীদের জন্য সাফা-মারওয়া সায়ি করা বা দৌড়ানো আল্লাহতায়ালা ওয়াজিব করে দিয়েছেন। এ কারণে এখনো হাজীদের জন্য সায়ি করার সময় এই স্থানটুকু দ্রুত (কিছুটা হাল্কা দৌড়ের মতো) পার হতে হয়। এর দুই প্রান্তে সবুজ বাতি দিয়ে চিহ্নিত করা আছে।

একে মিলাইনে আখদারাঈন বলে। মহিলাদের দৌড়াতে হয় না। কারণ মা হাজেরার দৌড়ানোর বদৌলতে তার সৌজন্য ও সম্মানে আল্লাহতায়ালা কেয়ামত পর্যন্ত সব মহিলার জন্য তা মওকুফ ও মুলতবি করে দিয়েছেন। পবিত্র কাবার খুব কাছে অবস্থিত এই সাফা ও মারওয়া পাহাড়। কাবা শরিফ থেকে সাফা পাহাড় প্রায় ১০০ মি. (৩৩০ ফুট) দূরে অবস্থিত। মারওয়া কাবা থেকে ৩৫০ মি. (১১৫০ ফুট) দূরে অবস্থিত। সাফা ও মারওয়ার মধ্যবর্তী দূরত্ব ৪৫০ মি. (১,৪৮০ ফুট)। সাতবার আসা-যাওয়া করার পর মোটামুটি ৩.১৫ কি.মি. (১.৯৬ মাইল) দূরত্ব অতিক্রম করতে হয়। পাহাড়দ্বয় ও মধ্যবর্তী পথ বর্তমানে দীর্ঘ গ্যালারির মধ্যে অবস্থিত এবং মসজিদুল হারামের অংশ। প্রাক-ইসলামী যুগে পৌত্তলিকরা এ পাহাড় দুটির ওপর দুটি মূর্তি স্থাপন করে সেগুলোর পূজা করত। ইসলামের আবির্ভাবের পর সাফা ও মারওয়া সায়ি (প্রদক্ষিণ) করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরাফাত

পাহাড়ের আশপাশের সমতল ভূমিকে আরাফাতের ময়দান বলা হয়। কখনো কখনো আরাফাতের পাহাড়ের মাধ্যমে সমগ্র এলাকাকে বোঝানো হয়। হজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এই স্থান মুসলিমদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ

সৌদি আরবের মক্কার পূর্ব দিকে আরাফাতে অবস্থিত একটি পাহাড়। একে জাবালে রহমত (রহমতের পাহাড়) বলেও উল্লেখ করা হয়। ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) এখানে দাঁড়িয়ে হজযাত্রীদের সামনে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। বিদায় হজের ভাষণকে বলা হয় মানবজাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ। দশম হিজরি তথা ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে হজ পালনের সময় দেওয়া হয় এই ভাষণ। এটি ছিল হজ উপলক্ষে নবীজির শেষ ভাষণ। প্রায় সোয়া লাখ মানুষ সেদিন আরাফাত পর্বতের পাদদেশে দাঁড়িয়ে ভাষণটি সরাসরি শুনেছিলেন। ভাষণের শুরুতে নবীজি বলেন, ‘হে মানবমন্ডলী, আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো। কেননা, এ বছরের পর আমি আর তোমাদের সঙ্গে এখানে মিলিত হতে পারব কি না জানি না। পাহাড়টি গ্রানাইটে গঠিত এবং উচ্চতা প্রায় ৭০ মিটার। জিলহজের ৯ তারিখ আরাফাতের দিন হাজীরা আরাফাতে অবস্থান করেন এবং আল্লাহর কাছে নিজের পাপ মোচনের জন্য ক্ষমা চান। পাহাড়ের আশপাশের সমতলভূমিকে আরাফাতের ময়দান বলা হয়। কখনো কখনো আরাফাতের পাহাড়ের মাধ্যমে সমগ্র এলাকাকে বোঝানো হয়। হজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এই স্থান মুসলিমদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হজ করতে ইচ্ছুক কোনো ব্যক্তি আরাফাতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে শরিয়া অনুযায়ী তার হজ হয় না। আরাফাতের ময়দানের তিন দিক পাহাড়বেষ্টিত। জাবালে রহমতে রয়েছে কিছুটা উঁচু করে সাদা রঙের ছোট দন্ডায়মান পিলার। এটি জাবালে রহমতকে চিহ্নিত করার জন্য স্থাপিত। যেহেতু আরাফাতে সবদিকেই পাহাড়, এর মধ্যে কোন পাহাড়টি জাবালে রহমত, যার পাদদেশে হজরত রসুলে করিম (সা.) বিদায় হজের খুতবা দিয়েছিলেন, তা যেন লোকেরা সহজে চিনতে পারেন এজন্য এই চিহ্ন সেখানে স্থাপন করা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে একটি সাইনবোর্ডে বিভিন্ন ভাষায় নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। পাহাড়ে উঠে কী করা যাবে, আর কী করা যাবে না, তা পাহাড়ের ওপরের পিলারে লেখা আছে। নির্দেশনায় কয়েকটি ভাষার মাঝে বাংলাও ব্যবহার করা হয়েছে।

সওর পাহাড়

ইসলাম ধর্মে এই পাহাড়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মক্কা শরিফ থেকে তিন মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ইসলাম প্রচারের ত্রয়োদশ বছরে মদিনা সত্য ও সত্যের ধারকদের আশ্রয়ে পরিণত হয়। মুসলমানরা সেদিকে হিজরত করতে লাগলেন। তবে কুরাইশরা ছিল মুসলমানদের হিজরত করতে বাধা দেওয়া ও প্রতিরোধ সৃষ্টি করার জন্য বদ্ধপরিকর। কুরাইশদের ভয়ে মুসলমানরা গোপনে হিজরত করতেন। এমনি এক সময়ে হজরত মুহাম্মদকে (সা.) হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিল কুরাইশরা। সে সময় রসুল (সা.) আবু বকরকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে হিজরত করার সিদ্ধান্ত নেন। আবু বকর (রা.)-সহ প্রায় পাঁচ মাইল পথ অতিক্রম করে সওর পাহাড়ের একটি গুহায় তিন দিন লুকিয়ে ছিলেন। পবিত্র কোরআনে আবু বকর (রা.)-এর সওর পর্বতের গুহায় অবস্থানের কারণে সম্মানিত করা হয়েছে। মহানবী (সা.)-এর বিছানায় সে সময় শুয়ে ছিলেন হজরত আলী (রা.)।

সকালে কুরাইশ যুবকরা আলীকে রসুলের বিছানায় দেখতে পেয়ে বিস্মিত ও ক্ষেপে যায়। তারা চতুর্দিকে লোকজন পাঠায় মহানবীকে (সা.) ধরার জন্য। এই পাহাড়ের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৪৮ মিটার। আর পাহাড়ের পাদদেশ থেকে প্রায় ৪৫৮ মিটার ওপরে। এ গর্তটি পাহাড়ের ওপরে এক পাশে অবস্থিত, যার সর্বোচ্চ উচ্চতা ১.২৫ মিটার এবং সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ৩.৫ মিটার এবং প্রস্থে ও ৩.৫ মিটার ছিল।

সিনাই

ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করছে পাহাড় সিনাই। এটি মিসরের সিনাই উপদ্বীপের সেন্ট ক্যাথেরিন শহরে অবস্থিত। এটি হোরেব পর্বত, মূসা পর্বত, গাবাল মূসা তথা জাবাল মূসা (মূসার পর্বত) হিসেবেও পরিচিত। সিনাই পর্বতের ধর্মীয় তাৎপর্য নানামুখী। হজরত মূসা (আ.) এই পর্বতের ওপর অবস্থানকালে নবুয়ত লাভ করেন। এটি আরবের বেদুঈন এবং খ্রিস্টানদের কাছেও একটি ঐতিহ্যবাহী অবস্থান।

সিনাই পর্বতের বিষয়ে পবিত্র কোরআনের সূরা ত্বিনে বলা হয়েছে- শপথ আঞ্জির (ডুমুর) ও যয়তুনের এবং সিনাই প্রান্তরের তুর পর্বতের। এবং এই নিরাপদ নগরীর।’ (সূরা ত্বিন : আয়াত ১-৩) মূসা (আ.) তাঁর স্ত্রী আর ছোট সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে মিসর যাচ্ছিলেন। সেই রাত্রিটি ছিল বেশ ঠান্ডা।

মরুভূমির মাঝ দিয়ে চলতে গিয়ে তাঁরা বার বার পথ হারিয়ে ফেলছিলেন। চেষ্টা করছিলেন আগুন জ্বালাতে। কিন্তু কাজে লাগছিল না কিছুই। তখন চোখে পড়ল দূরে সিনাই পাহাড়ের কাছে একটি ঝোপে আগুন জ্বলছে। কিন্তু সেটি পুড়ে যাচ্ছে না।

তিনি যখন আগুন দেখলেন, তখন তাঁর পরিবারবর্গকে বললেন : তোমরা এখানে অবস্থান করো। আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবত আমি তা থেকে তোমাদের কাছে কিছু আগুন জ্বালিয়ে আনতে পারব। অথবা আগুনে পৌঁছে পথের সন্ধান পাব। অতঃপর যখন তিনি আগুনের কাছে পৌঁছলেন তখন আওয়াজ এলোÑ হে মূসা, আমিই তোমার পালনকর্তা। অতএব তুমি জুতা খুলে ফেল। তুমি পবিত্র উপত্যকা তুয়ায় রয়েছ। এবং আমি তোমাকে মনোনীত করেছি। অতএব যা প্রত্যাদেশ করা হচ্ছে। তা শুনতে থাকো। (সূরা ত্বোয়াহা : ১০-১৩)। সিনাই পাহাড়ের উচ্চতা ২২৮৫ মিটার। এটি উচ্চতার দিক থেকে মিসরের কাতেরিনা পর্বতের পরই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই পাহাড়ের ওপরে ওঠার জন্য দুটি রাস্তা রয়েছে।

প্রথম পথটি শিকেত এল বাশাইত নামে পরিচিত। এটি অনেক লম্বা এবং খাড়া হয়ে উঠেছে। পায়ে অথবা স্থায়ী উটের সাহায্যে ওপরে ওঠা যায়। হেঁটে ওপরে উঠতে প্রায় দুই ঘণ্টার মতো লাগে।

দ্বিতীয় পথটি শিকেত সাইয়েদেনা মূসা নামে পরিচিত। এই পথে সরাসরি ওঠা যায়। এই রাস্তাটি প্রায় ৩৭৫০ মিটার লম্বা।

কুবাইস, ইবরাহিম, জাহির এবং মুহাসসার পর্বত

জাবালে আবি কুবাইস

পাহাড়টি মসজিদে হারামের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে অবস্থিত। যার কিছু অংশ কেটে পূর্ব চত্বরের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর বাকি অংশে বর্তমানে রাজপ্রাসাদ রয়েছে। এটি সাফা পাহাড়ের খুব কাছে। হজরত নূহ (আ.)-এর বন্যার সময় থেকে হাজরে আসওয়াদ এ পাহাড়ের ওপর রাখা ছিল। প্রসিদ্ধ তাবেয়ি ‘মুজাহিদ’-এর বর্ণনা মতে আল্লাহতায়ালা পৃথিবীতে পাহাড়ের মধ্যে সর্বপ্রথম এ পাহাড়টি সৃষ্টি করেছিলেন। ইসলামী ঐতিহাসিক বর্ণনানুসারে একবার মহানবী (সা.) তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে (আল্লাহতায়ালার ইচ্ছায়) চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করেছিলেন। অতঃপর দুই খন্ডের মাঝখানে হেরা পর্বত দৃশ্যমান হলো। দুই খন্ডের এক খন্ড আবি কুবাইস পাহাড় বরাবর ছিল। ইবনে কাসিরসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রাথমিককালের ইসলামী ইতিহাস রচয়িতারা এ ঘটনাকে নির্ভুল বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

ওয়াদিয়ে ইবরাহিম

মক্কা মুকাররমার অন্যতম প্রধান পাহাড়ি উপত্যকা ওয়াদিয়ে ইবরাহিম। পূর্বদিকে শারায়ে থেকে দক্ষিণে কাকিয়া হয়ে উপত্যকাটি হারাম শরিফের সঙ্গে মিলেছে। পবিত্র কোরআনে ইবরাহিম (আ.)-এর মুখে এই উপত্যকার দিকে ইঙ্গিত করে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। ‘হে আমাদের পালনকর্তা! আমার বংশধরদের কতককে বসবাস করালাম অনুর্বর পাহাড়ি উপত্যকায়। তোমার পবিত্র ঘরের কাছে। (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৩৭)

ওয়াদিয়ে জাহির

ওয়াদিয়ে জাহির ঐতিহাসিকভাবে বিখ্যাত পাহাড়ি একটি উপত্যকা। পবিত্র কাবাঘরের ছয় কিলোমিটার উত্তরে এটি অবস্থিত। অসংখ্যবার মহানবী (সা.) ওয়াদিয়ে জাহির অতিক্রম করেছেন। এই উপত্যকার আরও কয়েকটি নাম রয়েছে। যেমন ওয়াদিয়ে ফাখ, তরিকুল আশার ও উম্মুল জুদ ইত্যাদি।

ওয়াদিয়ে মুহাসসার

ওয়াদিয়ে মুহাসসার মুজদালিফা ও মিনার সংযোগ উপত্যকা। নবুওয়তপূর্ব জাহেলি যুগে পবিত্র কাবা শরিফ ধ্বংস করতে এসে বাদশাহ আবরাহা ও তার হস্তিবাহিনী এখানেই ধ্বংস হয়। এ পাহাড়ি উপত্যকাটি দুই কিলোমিটার দীর্ঘ।

সৌজন্যে : বিডিপ্রতিদিন

সিলেটভিউ২৪ডটকম / ২৮ আগস্ট, ২০২০ / ডেস্ক/মিআচৌ


শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন