আজ বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০ ইং

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন খেজুর খান

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৫-৩০ ১২:৪৯:৫০

সিলেটভিউ ডেস্ক :: সাধারণত রোজার সময়ে ইফতারে আমরা খেজুর খেয়ে থাকি। তবে সারা বছরই খেতে পারেন মরু ফল খেজুর। সুস্বাদু এই ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানি না।

খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।

পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।

পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।

খেজুরের পুষ্টিগুণ

সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান।

খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়।

আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ থেকে নিরাপদে থাকবেন।

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম তাজা খেজুর ২৩০ ক্যালরি শক্তি উৎপাদন করে। পাকা খেজুরে প্রায় ৮০ শতাংশ শর্করা জাতীয় উপাদান রয়েছে।

কীভাবে খাবেন

১. দুধের সঙ্গে খেজুর ফুটিয়ে খতে পারেন। এতে শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হবে। যারা লো ব্ল্যাড প্রেসারের সমস্যায় ভুগছেন তাদের ডায়েটে খেজুর রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

২. খেজুর সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে সেই পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। শরীরে গ্লুকোজের অভাব দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সিলেটভিউ২৪ডটকম/৩০ মে ২০২০/ডেস্ক/মিআচৌ

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন