আজ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ ইং

সিলেটে লেবু জাতীয় ফসল প্রকল্প বিষয়ে কৃষিবিদদের আঞ্চলিক কর্মশালা

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-১০-১৫ ০০:৫১:৪৩

সিলেট :: লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প শুরু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। ৫বছর মেয়াদী এই প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে প্রায় ১শ ২৬কোটি ৪৩ লাখ টাকা। প্রকল্পভুক্ত ৩০টি জেলার মধ্যে উপজেলা রয়েছে ১২৩টি। এর মধ্যে সিলেট ও মৌলভীবাজারের ৯টি উপজেলা রয়েছে।

সোমবার নগরীর ধোপাদিঘীরপাড় সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেন সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চলের কৃষি কর্মকর্তাগণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শাহআলম বলেছেন, আগের প্রচলিত ধ্যান ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে। সিলেট অঞ্চলে সাইট্রাস জাতীয় ফসলের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে লেবু ও মাল্টার সম্ভাবনা প্রচুর। এর চাহিদা সারা বছর ব্যাপী। এসব ফল দীর্ঘদিন গাছে রাখা যায়। মাল্টায় ব্যয় বেশি হলেও এর রিটার্ণও ভাল পাওয়া যায়।

সভাপতির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, সিলেটে আগে কমলা আনারস প্রকল্প ছিল। এখানে প্রচুর বাগান রয়েছে। স্থানীয় কমলা পরিপক্ক হওয়ার আগেই গাছ থেকে সংগ্রহ করায় ফলে টক ভাব থাকে। এতে ক্রেতার কাছে বিভ্রান্তিকর বার্তা পৌছে। তিনি ফল পরিপক্ক হবার পর বাজারজাত করণে গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ফারুক আহমদ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট খাদিম নগর এর অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম, কুমিল্লা অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ের উপ পরিচালক মোহাম্মদ আলী, সিলেট অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ইলিয়াছ উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট এর উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন, উপপরিচালক সুনামগঞ্জ ফখর উদ্দিন, উপপরিচালক চাঁদপুর আব্দুর রশিদ, উপপরিচালক কুমিল্লা সুরজিত চন্দ্র দত্ত। প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র জৈন্তাপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ঝুটন চন্দ্র সরকার।

কর্মশালায় সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ সহ শতাধিক কৃষিবিদ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ করা যেতে পারে, সিলেটের গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, বিশ্বনাথ, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার এবং মৌলভীবাজারের জুড়ি, বড়লেখা, শ্রীমঙ্গল ও কুলউড়া উপজেলা প্রকল্পটি আওতাভুক্ত রয়েছে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/১৫ অক্টোবর ২০১৯/প্রেবি/ডিজেএস

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন