আজ বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০ ইং

সিলেটে সব ধরনের শাক-সবজির চড়া দাম, অতিষ্ঠ ক্রেতারা

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-১১-০৯ ০০:১৯:৪৯

শাহীন আহমদ :: শীতের আগাম শাক-সবজির সরবরাহ বাড়লেও সিলেট বাজারে কমছে দাম। উল্টো সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। সব ধরনের শাক-সবজির চড়া দামে অতিষ্ঠ ক্রেতারা। কিন্তু বাড়তি দামের হাত থেকে তাদের রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। ফলে সবজি বাজারে ক্রেতাদের হাইহুতাশ বাড়ছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় মাসের পর মাস চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এতে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা গেলেও, মুনাফা লোভি এক শ্রেণির পকেট ভারি হচ্ছে। বাজারে যে হারে সবজির সরবরাহ রয়েছে তাতে সংশ্লিষ্ঠদের কড়া নজরদারি থাকলে দাম কমে যাবে।

সিলেটের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছয়টি সবজির কেজি ১০০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপেঁ বাদে বাকি সবজির কেজি ৫০ টাকা স্পর্শ করেছে। ৫০ টাকার নিচে থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁপের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সিলেট টুকের বাজার, আখালিয়া ঘাট, নয়াবাজার, মদিনা মাকের্ট, পাঠানটুলা, সুবিদ বাজার, আম্বরখানা সহ বিভিন্ন এলাকায় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সবজির চড়া দামের কারণে ক্রেতাদের একটি অংশ সবজি খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন। সরবরাহ বাড়ার পরও দাম না কমায় বিক্রিতারাও অবাক হচ্ছেন।

টুকের বাজার আড়তে গেলে পছন্দমতো সব ধরনের সবিজ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু দাম বেশি। বেশি দামে কেনার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আর পাইকারি বিক্রেতাদের অভিমত, যে হারে সবজির সরবরাহ বাড়ছে, চাহিদা তার থেকে বেশি। এ কারণে দাম তুলনামূলক বেশি।

মদিনা মার্কেট বাজারের ব্যবসায়ী শফিক মিয়া বলেন, শীতের সব ধরনের আগাম সবজির সরবরাহ বেড়েছে এটা সত্য। তবে সবজি যে হারে আসছে, চাহিদা তার থেকে অনেক বেশি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থকায় দাম চড়া।

তিনি আরও বলেন, অন্য পণ্যের মতো কাঁচামাল মজুদ রেখে বাজারে সংকট বাড়ানো যায় না। কারণ কাঁচামাল মজুদ করলে পঁচে যায়। তাই সিন্ডিকেট করে কাঁচামালের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই। সরবরাহ বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই সবজির দাম কমে যাবে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে নতুন আসা গোল আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা। ১০০ টাকা কেজির এ তালিকায় রয়েছে- পাকা টমেটো, শিম, গাজর, শশা, বরবটি। পাকা টমেটো ১০০-১২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৬০ টাকা। আর শিম, গাজর, শশা ও বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা। এর মধ্যে সরবটি ও শশার দাম বেড়েছে।

সবিজর দামের বিষয়ে মদিনা মার্কেট বাসিন্দা মিনাল কান্তি বলেন, প্রায় এক বছর ধরে সব ধরনের সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির দাম শুনতেই মন খারাপ হয়ে যায়। কোনো সবজির দামই মন ভালো করার মতো না। শুধু আমি একা নয়, বাজারের বেশিরভাগেরই এ অবস্থা।

তিনি বলেন, এমন চড়া দামে নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে পছন্দ মতো সবজি কিনে খাওয়া কষ্টকর। আপনি নিজেই দেখেন ১০০ টাকা কেজি টমেটো, কয়জনের পক্ষে সম্ভব। সবজির এমন দামে মানুষ অতিষ্ঠ হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কারও কিছু করার নেই। কারণ সবজি এমন বস্তু কিনতেই হবে। সেটা কম হোক বা বেশি।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/০৯ নভেম্বর ২০১৯/এসএ

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সাম্প্রতিক সিলেট খবর

  •   ওসমানী মেডিকেলের আউটসোর্সিং কর্মচারীদের অনশন
  •   সিলেটে মসজিদ কমিটি নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় উভয়পক্ষের মামলা!
  •   বিছনাকান্দি সীমান্তে ৭৭২ পিস ইয়াবাসহ কিশোর আটক
  •   সিলেটে করোনার ছোবলে দীর্ঘ লাশের সারি, একদিনে চারজনের মৃত্যু
  •   করোনা জয় করলেন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার্সের সচিব জাহাঙ্গীর
  •   সাবেক ছাত্রনেতা তাহেরের উপর হামলায় মহানগর বিএনপির নিন্দা
  •   সাবেক ফুটবলার নাহিদ রহমানের মৃত্যুতে ক্রীড়া সংগঠকদের শোক
  •   ‘ছুরিকাঘাতে খুনের পর’ সিলেট রেল স্টেশনে ফেলে রাখা হলো লাশ
  •   সিলেট মহানগর পুলিশের ১০৬ সদস্য করোনাক্রান্ত
  •   ফুটবলার জুবের আহমদের চিকিৎসায় ইয়াং স্টার ক্লাব ইসলামপুরের সহায়তা