আজ সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০ ইং

কোরবানি: সিলেটে পরিচ্ছন্নতায় ১২শ’ জন, মনিটরিংয়ে ৯ টিম

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৭-৩১ ১৯:৩৬:১৭

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :: ঈদ-উল-আযহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এ উৎসবে পশু কোরবানি করা হয়। রাত পোহালেই এই উৎসবে মেতে ওঠে কোরবানি করবেন সিলেটসহ সারা দেশের মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা।

আগামীকাল শনিবার সকালে ঈদ জামাত শেষে কোরবানি করা হবে। সিলেট মহানগরীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ১২০০ জন কাজ করবেন। এর বাইরে পর্যবেক্ষণের (মনিটরিং) জন্য গঠন করা হয়েছে ৯টি টিম।

সিসিকের জনসংযোগ শাখা সিলেটভিউকে জানিয়েছে, কোরবানি পর উৎপাদিত বর্জ্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিষ্কার করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে সিটি করপোরেশন। তবে ২৪ ঘন্টার প্রয়োজন পড়বে না, রাত ১০টার মধ্যেই পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সিলেটভিউকে বলেন, ‘দ্রুত বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন প্রস্তুত রয়েছে। এ লক্ষ্যে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে ১২০০ লোকবল কাজ করবেন।’

তিনি বলেন, ‘বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এ তিনটি অঞ্চলে সিসিকের ৯টি পর্যবেক্ষণ টিম কাজ করবেন।’

মূলত কোথাও নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে পশু কোরবানি দেওয়া হচ্ছে কিনা, সড়কে কোরবানির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে কিনা, কোরবানির বর্জ্যে ড্রেন বা নালা বন্ধ হয়ে পড়ছে কিনা প্রভৃতি বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখবে পর্যবেক্ষণ টিমগুলো।

সিসিকের পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মকর্তা হানিফুর রহমান জানান, নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ৩০টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব স্থানে সিসিকের পক্ষ থেকে পশু জবাইয়ের সমস্ত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা মহামারির মধ্যে ঈদ উদযাপন করছি। আমাদেরকে তাই যথেষ্ট সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। যেখানে-সেখানে কোরবানি না দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করবো ইন শা আল্লাহ।’

সিলেটভিউ২৪ডটকম/৩১ জুলাই ২০২০/আরআই-কে

@

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন