আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ ইং

মানি লন্ডারিংয়ের সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে: ডিআইজি

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০২-২০ ০০:৪২:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার :: বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. কামরুল আহসান বলেছেন, “যদি কেউ যদি টাকা লগ্নি করে, বড় বড় ব্যবসায়ী পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ে। তাদের জন্য কিন্তু শক্ত ব্যবস্থায় যেতে হবে। আপনার কোন আয়-রোজগারে ব্যবস্থা নেই আপনি বিশাল অট্টালিকা বানাচ্ছেন। মাসে মাসে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন, ইন্ডিয়া যাচ্ছেন বেরানোর জন্য ফ্যামিলি সহ। দুই মাস পরপর উমরাহ করতে যাচ্ছেন। আরে বাংলাদেশের মানুষজন ঘনঘন উমরাহ যায় এত টাকা পায় কোথায়। সবাই কি স্বাভাবিক ভাবে ইনকাম করে যায়। অনেকেই স্বাভাবিক ভাবে যায় না। মানি লন্ডারিং এর মামলার বৈশিষ্ট হচ্ছে আপনার আয়-রোজগার নাই কিন্তু আপনি অনেক টাকার মালিক। এখন কিন্তু আমরা এই বিষয়গুলো তদন্ত করছি। তার কোথায় সম্পদ আছে, দেশে না বিদেশে এগুলোও কিন্তু সন্ধ্যান করা হচ্ছে। সুতরাং লুকিয়ে থাকার কোন সুযোগ নাই”।

বুধবার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় জেলা পুলিশের সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন। এসময় জেলা পুলিশ কনকপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করে ১৭জন মাদকসেবীকে আলোর পথের যাত্রী কর্মসূচির আওতায় আনা হয়।

পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফজলুল আলী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহউর রহমান, পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ এলাহী কুটি প্রমুখ।

সুধী সমাবেশে চা-বাগানে মদের দোকান তুলে দেয়ার দাবী উঠলে ডিআইজি কামরুল বলেন, “চা বাগানের পাট্রা এটা বাগানের একান্তই অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে চা বাগানকে ব্যবহার করে যেন মাদকের বিস্তার না ঘটে। মদের বিস্তার না ঘটে। সেদিক থেকে অবশ্যই আমদের করণীয় আছে। এটা আমাদেও পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই বিষয়গুলো দেখে থাকে। তারাও দেখবে”।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০/ওফানা/ডিজেএস

@

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন