আজ মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২০ ইং

জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৭-০২ ১৭:২০:৫২

জুড়ী প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বহুল আলোচিত বন্ধু পোল্ট্রি ফার্মে  উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুকের নেতৃত্বে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সরেজমিন তদন্ত করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো: মশিউর রহমান এনডিসি। 

উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে বাদী পক্ষের বক্তব্য নেন এবং উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে সরেজমনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত শেষে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, সরেজমিন তদন্ত করলাম। মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাবো। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় পরবর্তি সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ্য, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম আমতৈল গ্রামে বন্ধু পোল্ট্রি ফার্ম নামক একটি লেয়ার মুরগীর খামারে গত ১ মে রাতে হামলার ঘটনায় খামার মালিক দীনবন্ধু সেন ১২ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০জনকে আসামী করে জুড়ী থানায় একটি মামলা (নং-১, তারিখঃ ০২.৫.২০২০ইং, ধারাঃ ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৪২৭/১১৪/৫০৬) দায়ের করেন। জুড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুককে উক্ত মামলায় প্রধান আসামী করা হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (উপজেলা-২ শাখা)-এর উপসচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কর্তৃক ১৮ মে স্বাক্ষরিত পত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটানোর কারণে উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ [উপজেলা পরিষদ (সংশোধিত) আইন ২০১১ ধারা সংশোধিত] এর ১৩ ধারা অনুযায়ী কেন তাকে তার স্বীয় পদ হতে অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হবে না, এ মর্মে কারণ দর্শানো হয়।

এর প্রেক্ষিতে জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক কর্তৃক গত ১২ মে প্রদত্ত জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে স্বীয় পদ থেকে অপসারণের লক্ষ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য সিলেট বিভাগীয় কমিশনারকে নির্দেশ প্রদান করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (উপজেলা-২ শাখা)।

এতে জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক এর বিরুদ্ধে বর্ণিত অপরাধের কারণে উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ [উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন ২০১১ ধারা সংশোধিত] এর ১৩ ধারা অনুযায়ী তাকে তার স্বীয় পদ হতে অপসারণের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ সদস্য ও মহিলা সদস্যদের (অপসারণ, অনাস্থা ও পদ শূন্যতা) বিধিমালা ২০১৬ অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/ ২ জুলাই ২০২০/ মঞ্জুর/ জুনেদ 


শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন