আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২০ ইং

ছাত্ররাজনীতির রাখালরাজা

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-০৫-২০ ০১:০৪:১৪

রশিদুল ইসলাম রাশেদ :: পদ ছাড়াও আপনি ছিলেন সাহসী, দলের নিবেদিত কর্মী, দেশরত্নের স্নেহধন্য, রাজপথের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের কাতারে। তাইতো দেশরত্ন শেখ হাসিনা সিন্ডিকেটের বিষদাঁত ভেঙে, রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আপনার হাতে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগকে নিজেদের ইচ্ছামতো চালানো সিন্ডিকেট চেয়েছিল কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হতে, তাই তো তারা গভীর ষড়যন্ত্র করেছিল, কিন্ত শোভনভাই আর আপনার সাহসী ভূমিকার জন্য কমিটি আলোরমুখ দেখেছে। জননেত্রী আপনাদের উপর আস্থা রেখেছেন বলেই কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন।

কমিটি করতে গিয়ে যে কমিটি হয়েছে তাতে কারো মুখ উজ্জ্বল হয়েছে, কারো মুখ কালো হয়েছে। আর ছাত্রলীগের মতো বিশাল সংগঠনের কমিটি করলে সবার মন জয় করা যায় না।

তবে ভালো লেগেছে কয়েকজন দু:সময়ের নেতাকর্মী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ একলাফে ছাত্রলীগের মতো সংগঠনের সহ-সভাপতিও হয়েছেন।

আরো ভালো হতে যদি প্রত্যেক বিভাগীয় শহর থেকে হলেও তৃনমূলের রাজনীতি করা, পরিচ্ছন্ন, ও দলের নিবেদিত কর্মী ১/২ জন কে কেন্দ্রীয় কমিটির ভালো পজিশনে আনতেন।

এক্ষেত্রে সহ-সম্পাদক বা সদস্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মানে দাড়ালো জেলা পর্যায়ে যতই ভালো রাজনীতি করলেও কেন্দ্রে ভালো পজিশন পাবে না।

৩০১ জনের বিশাল কমিটিতে কিছু ভূলভ্রান্তি থাকবেই। আর যারা কমিটিতে আসতে পারেনি তারা সমালোচনা করবেই। তবে সে সমালোচনা যেন বিরোধী দলের কাছে, দেশের মানুষের কাছে ছাত্রলীগ কে হেয় না করে। কোনভাবেই কাম্য নয় সংগঠনের সভাপতি-সেক্রেটারী কে নিয়ে বাজে বাজে মন্তব্য করা। যে সভাপতি- সেক্রেটারী নেত্রীর পছন্দে তার নিজ হাতে বানানো তাদের সম্পর্কে সঠিক টা না জেনে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। আর যারা কমিটিতে এসেছেন আপনাদেরও ধৈর্যের সাথে রাজনীতি করতে হবে। আপনার যেটাই-বোনটি কমিটি আসতে পারেনি তাদের সাথে ভালো আচরন করুন, ধৈর্য নিয়ে তাদের কথা শুনুন।

এই Golam Rabbani ভাই সাধারণ সম্পাদক হওয়ার আগে নানা বাঁধা বিপত্তি ডিঙিয়ে ধৈর্য্য ও সাহসীকতার পরিচয় দিয়ে, দলের জন্য কাজ করে, অসহায়-দুস্থ মানুষের জন্য কাজ করে নেত্রীর মন জয় করেছেন। ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি ভাই-বোনকে ধৈর্যশীল হয়ে দলের জন্য কাজ করুন, দল সত্যি একদিন আপনার কাজের মূল্যায়ন করবে।

শোভন-রাব্বানী ভাই অনুরোধ করবো বিতর্কিতদের দ্রুত চিহ্নিত করে বাদ দিয়ে বন্চিতের নেতৃত্ব আনুন আর যে হামলা হয়েছে তার তদন্ত রিপোর্টের মাধ্যমে দ্রুত অপরাধীদের বিচার করুন।

আর ছাত্রলীগে ধৈর্যশীল থাকার ও সিনিয়র-জুনিয়রদের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য কাউন্সিলিং জরুরী।

পরিশেষে চাইবো আর যেনো প্রাণের সংগঠনে কোন অঘটন না হয়, কাদা ছুড়াছুড়ি বন্ধ হয় ।

সবাই ভালো থাকুন, ভালো থাকুক ছাত্রলীগ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু জয় দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

লেখক : সাবেক সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, সিলেট ল’ কলেজ ছাত্রলীগ।

@

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন