আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২০ ইং

ছাত্রলীগ একটি বিশুদ্ধ আবেগ আর অনুভূতির নাম

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-০৫-২১ ০১:০১:৩৩

মুহিবুর রহমান সুইট :: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একটি বিশুদ্ধ আবেগ আর অনুভূতির নাম, ছাত্রলীগের সাবেক কিংবা বর্তমান কর্মী পরিচয় দেওয়া যে কারো জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।

আমি ও ভাগ্যবানদের একজন, কিন্তু যখন ছাত্রলীগকে নিয়ে সংগঠনের কেউ নিজের স্বার্থে চক্রান্ত কিংবা অশ্লীল কথাবার্তা বলে তখন হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, প্রশ্ন জাগে আসলেই কি সে প্রকৃত ছাত্রলীগ করে কিংবা করছে

ইদানিং কেন্দ্রীয় নেতা নামের উচ্ছিষ্টরা যা করলো, তাতে পুরো ছাত্রলীগের জন্য কলংকময়, আমি চ্যালেন্জ করে বলতে পারি যারা বিশ্ববিদ্যালয় কৌঠায় কেন্দ্রীয় নেতা হন, হচ্ছেন বা হবেন তারা তৃণমুলের ইউনিয়নের একজন কর্মীর চেয়ে খাটি এবং দক্ষ ছাত্রলীগের নেতা হতে পারেন না

কিন্তু পদবঞ্চিত হয়েই বিএনপি/জামাতের চেয়ে আরো নিকৃষ্ট অভিযোগ একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে দিচ্ছেন, যা সংগঠনের জন্য খুবই বিপদজনক, দল ক্ষমতায় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এখন ছাত্রলীগের হেডমওয়ালা নেতা।

রিপন+রোটন ভাইয়ের কমিটির পরে সব কমিটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জামাত বিএনপি ঘেষাসহ নানান ধরনের অভিযোগ শুনে আসছি, কবে মুক্তি পাবে প্রাণের সংগঠন সর্বনাশী সুবিধাভোগীদের কবল হতে, এটাই দুশ্চিন্তা বড় কারণ

আর যাদের হাতে নেতৃত্ব যায়, তারা হয়ে যান সর্বোময় ক্ষমতার মালিক, নিজের গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করতে সর্বদলীয় স্পোর্টিং ক্লাবে পরিণত করেন প্রিয়নেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড খ্যাত বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে, এসব কবে বন্ধ হবে?

আমার লেখা হয়তো কারো কারো কাছে বিরক্তকর বা বিব্রতকর হতে পারে, কিন্তু ছাত্রলীগের সাবেক একজন ক্ষুদ্রকর্মী হিসাবে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন কাজের জন্য নিজের অনুভূতি বলতে চেয়েছি।

বর্তমানে জুম্মায় জুম্মায় আটদিন বয়সি বিএনপি/জামাত পরিবারের ছেলেটি নিজেকে বড় ছাত্রলীগার হিসাবে পরিচয় দিতে প্রাণপন চেষ্টায় ব্যস্ত, ত্যাগীরা আজ ট্যাগীদের কাছে অসহায়, সময় থাকতে বঙ্গবন্ধুর সংগঠন রক্ষা করা নেতৃবৃন্দের জরুরী কাজ।

যাইহোক দিনশেষে শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে, সাবেক ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে ও হস্তক্ষেপে সমাধান হয়েছে গ্রুপিং রাজনীতির সাময়িকভাবে মুক্তি পেয়েছে ছাত্রলীগ।

লেখক : সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

@

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন