আজ শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে থেকে দেখতে চান সিলেটী মনিরুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী-সন্তান

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-০৯-১১ ২২:৩০:০৬




:: মাহফুজ চৌধুরী জয় ::
আমার বাবা মরহুম মনিরুল ইসলাম চৌধুরী দলের জন্য ছিলেন নিবেদিত। সিলেটে তাঁর বাসা ছিল আওয়ামীলীগের অঘোষিত কার্যালয়। বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু, জননেত্রী শেখ হাসিনা, নৌকা, মুজিবকোট এইসব নিয়েই ছিল তাঁর জীবন। বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ জাতীয় নেতা তাজ উদ্দিন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জহুরা তাজউদ্দিন, জিল­ুর রহমান, তোফায়েল আহমদ ও আব্দুল জলিল আমাদের বাসায় অবস্থান করে দলের নানান দুঃসময়ে আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করেছেন। আইয়ুব-ইয়াহিয়া, জিয়া-এরশাদ সকল স্বৈরশাসকদের সময়ে নিগৃহীত হতে হয়েছে তাঁকে।

বৃহত্তর সিলেট জেলার অন্যতম ঠিকাদার মনির চৌধুরী দলের জন্য ব্যবসা হারিয়েছেন কিন্তু দলের জন্য সব বিলিয়ে দিতে কোন সময় পিছু হটেননি। জাতীয় নেতা জননেতা আব্দুস সামাদ আজাদ সাহেব আমাদের সিলেট শহরের ঝেরঝেরি পাড়ার বাসায় থেকেই সিলেট বিভাগের আওয়ামী লীগকে পরিচালনা করতেন । ৭০‘এর দশকে বাসা বানানোর পর থেকেই তাঁর জন্য এক রুম বরাদ্দ করে রেখেছিলেন আব্বা। সেই সূত্রেই সিলেট আওয়ামীলীগের সকল সভা হতো আমাদের বাসায়। বাসার দুই তলা, তিন তালা আব্বা তখনকার দিনে কখনো ভাড়া দিতেন না। এটা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা সার্কিট হাউজের মতো ব্যবহার করতেন। এই বাসাতেই পরিবার পরিজনসহ থেকেছেন ঢাকা থেকে আগত নেতারা।

আব্বার দুটি গাড়ি ছিল একটি জীপ ও একটি কার। এগুলোকে আওয়ামী লীগের গাড়ি হিসাবেই সবাই চিনতো । মহান মুক্তিযুদ্ধে এগুলো ভারত থেকে অস্ত্র টানতো। সিআর দত্ত ও দেওয়ান ফরিদ গাজী সাহেবদের সাথে সংগঠক হিসাবে আব্বা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কাজ করে গেছেন নিরলস। রাত দিন প্রতিদিন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা খাওয়া দাওয়া করতেন আমাদের বাসায় । অনেক সময় আম্মাকে গভীর রাতে উঠেও রান্না করতে হতো। মা-বাবাকে কোনদিন বিরক্ত হতে দেখিনি।

আজ দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, সিলেটের নেতারা কোনো অনুষ্ঠানে আমার বাবার নাম ভুলেও মুখেও আনেন। এর কারণ কি? আমাদের পরিবারের ত্যাগের মুল্যায়ন সামান্য স্বীকৃিত দিলে কি ক্ষতি হবে দলের? দিলে আমাদের মনটা আনন্দিত হবে, গর্বিত হবে।
 
আমি চাই আমার মা কে নিয়ে মাননীয় নেত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত  করতে। না নেত্রীর কাছে কোন তদবির বা দাবি জানাবো না। শুধু আমার মায়ের মনোবাসনা প্রিয় নেত্রীকে আজ প্রধানমন্ত্রী রুপে সামনাসামনি দেখার স্বাদটুকু মিটিয়ে দেওয়া।

আমার নেত্রী, মানবতার নেত্রী। আমার নেত্রীর মন অসীম। আমি আশাবাদী, প্রাণপ্রিয় নেত্রী আমার আশা পূরণ করবে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   ‘বোরকা পরে বাংলাদেশ থেকে এসেছি’ বিজেপি এমপির টুইটে ভারতে তোলপাড়
  •   শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ওয়ার্কার্স পার্টির শ্রদ্ধাঞ্জলি
  •   যুক্তরাজ্যের নির্বাচন বদলে দেবে ফুটবলকে
  •   আনোয়ার ইব্রাহীমের কাছে ক্ষমতা ছাড়ছেন না মাহাথির!
  •   মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে রেল স্টেশন ভাঙচুর
  •   ৬নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন
  •   মানবাধিকার বাস্তবায়ন কমিশন সিলেট মহানগর শাখার শ্রদ্ধাঞ্জলি
  •   দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদকের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
  •   শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা
  •   ২০৩৫ সালে জনসংখ্যায় শীর্ষ ১০ শহরে থাকবে ঢাকা
  •   কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ১৮৬টি আসন ফাঁকা
  •   ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা না করলে আশির দশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছতাম’
  •   জৈন্তাপুরে পৌরসভা বাস্তবায়নের লক্ষে সভা, ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন
  •   খালেদা জিয়া যেন বাংলাদেশের মুক্তি দেখে যেতে পারেন: আসিফ নজরুল
  •   ‘ভারত বাঁচাও’ সমাবেশের ডাক দিল কংগ্রেস
  • সাম্প্রতিক মুক্তমত খবর

  •   চলে যাওয়া মানে সব শেষ নয়...|| মান্না চৌধুরী
  •   মন্ত্রী ইমরান সাহেবের অতি কথন
  •   কলিকালের ‘বড়গাঙ’
  •   মি. মান্নান, আমরা বড়ই কনফিউজড
  •   নিরহংকার এক রাজনীতিবীদ আজাদুর রহমান আজাদ
  •   বাংলা সাহিত্য ও আমাদের রবীন্দ্রনাথ
  •   সাংবাদিক মনসুর ও কিছু স্মৃতিকথা
  •   পিয়াজের দাম কত হলে মন্ত্রীর পদত্যাগ চাওয়া যায়?
  •   শিক্ষার প্রকারভেদে শিক্ষার্থী, পরিবার ও শিক্ষকের দায়িত্ববোধ
  •   রাঙ্গার নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া উচিত
  •   মেয়েরাও যৌতুক নেয়!
  •   একজন রেনু এবং তার ৪৬ বছরের রাজনৈতিক বর্নাঢ্য ক্যারিয়ার
  •   মাস্টার ও শিক্ষক শব্দের ব্যবচ্ছেদ
  •   কৃষির অগ্রযাত্রার সারথী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  •   স্মৃতিতে ধীরেশ স্যার