আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ইং

হযরত আল্লামা আব্দুল মান্নান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-১০-০৭ ০০:৩৫:১৫

আলী ফজল মোহাম্মদ কাওছার :: সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন, এই সুন্দর পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। লক্ষ কোটি দুরুদ ও সালাম সারওয়ারে কাওনাইন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি। বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটে অসংখ্য আউলিয়া কেরামের জন্ম হয়েছে। যারা পথহারা বনি আদমকে ইসলামের পথে দাওয়াত দিয়ে গেছেন সারা জীবন। তেমনি একজন মনীষীর নাম আল্লামা আব্দুল মান্নান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)।

জন্মঃ আল্লাহর মাহবুব বান্দা ওলীয়ে কামিল হযরত আল্লামা আব্দুল মান্নান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)১৯১২ সালের এক শুভক্ষণে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নের অবস্হিত লিয়াকতপুর (শিঙ্গাইরকুড়ী) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম উছমান আলী চৌধুরী ও দাদা মোহাম্মদ রেজা চৌধুরী।

শিক্ষাজীবনঃ পারিবারিক ঐতিহ্য মোতাবেক তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় গৃহ শিক্ষকের নিকট ও গ্রামের মসজিদে মক্তবে। সেই সময়ে তিনি কুরআন তিলওয়াত শিখে ফেলেন এবং ইসলামী শিক্ষার প্রতি অনুপ্রাণিত হন। তাঁরই ব্যক্তিগত অভিপ্রায়ে উনার আব্বা মুহতারাম গঙ্গাজল হাসানিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করেন। গঙ্গাজল হাসানিয়া মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)তদানীন্তিন সময়ের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝিঙ্গাবাড়ি সিনিয়র মাদ্রাসায় ভর্তি হন। বলা যায় ঝিঙ্গাবাড়ি সিনিয়র মাদ্রাসাতে শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ) এর উজ্জ্বল ভবিষ্যত প্রচ্ছন্নভাবে উদ্ভাসিত হয়েছিল। হাতেম আলী ছাহেব খ্যাত হযরত মাওলানা শাহ আবু ইউসুফ মুহাম্মদ ইয়াকুব বদরপুরী (রহঃ) এর মকবুল হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান ইলমে নববীর প্রাণকেন্দ্র দেওরাইল সিনিয়র মাদ্রাসা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)হাদীস, তাফসীর, ফিকহ, আকাঈদ, বালাগত, ফারাঈদ, মান্তিক, নাহু-ছরফ প্রভৃতি শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। উত্তর ভারতের সর্ব প্রাচীন ইসলামী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র রামপুর আলিয়া মাদ্রাসা থেকে তাফসীর, ফিকহ, আকাঈদ, নাহু-ছরফ প্রভৃতি শাস্ত্রে গভীর পান্ডিত্য অর্জন করেন।

হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ) প্রসিদ্ধ কারী হযরত মাওলানা আব্দুর রউফ শাহবাজপুরী করমপুরী (রহ) এর নিকট থেকে ইলমে কিরাতের সনদ লাভ করেন।

কর্মজীবনঃ রামপুর আলিয়া মাদ্রাসা থেকে উচ্চ শিক্ষার সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ) ফিরে আসেন স্বীয় জন্মস্হান লিয়াকতপুরে। শিক্ষাজীবনের সর্বোচ্চ ধাপ কৃতিত্ত্বের সাথে উর্ত্তীন হওয়া সত্ত্বে প্রচার বিমুখ নিভুতচারী জ্ঞান তাপস কোন প্রসিদ্ধ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন নি, বরং নিরবে-নিভৃতে মহান মালিকের সান্নিধ্য অর্জনের নিমিত্তে তিনি মসজিদকেই বেছে নেন প্রিয় স্হান হিসেবে।

মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও শিক্ষকতাঃ আল্লাহর রাহে জীবন উৎসর্গ যাদের, যারা আল্লাহর বন্দেগী, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মহব্বত হাসিল ও মানব সেবার ঐকান্তিক ইচ্ছা নিয়ে জীবন অতিবাহিত করেছেন তাদের দলে আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)এক আলোকিত ব্যক্তিত্ব। তিনি বহু সংখ্যক মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠায় তার একনিষ্ঠ অভিপ্রায়, নিঃস্বার্থ প্রচেষ্ঠা ও অমর অবদান সর্বমহলে সমাদৃত ও সুবিদিত। উল্লেখ্য যে হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)স্ব-প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছেন। পাশাপাশি এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

মুর্শিদের কাছে আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)ঃ বরাক উপত্যকায় সে সময় একজন নিভুতচারী আল্লাহর ওলী ছিলেন, যিনি সাধারণত জনসাধারণের কাছ থেকে আড়ালে থাকতে পছন্দ করতেন। তিনি ছিলেন ইহকালীন যশ-খ্যাতি ও সম্পদ প্রাচুর্য বিমুখ। এ ওলী হচ্ছেন হযরত আল্লামা আব্দুন নুর গড়কাপনি (রহঃ)।

বদরপুর সিনিয়র মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালীন অবস্হায় আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)এ নিভৃত সাধক, ওলীয়ে কামিল হযরত আল্লামা আব্দুন নুর গড়কাপনি (রহঃ)এর হাতে বাইয়াত হন। আশেকে রাসুল আল্লামা আব্দুন নুর গড়কাপনি (রহঃ) সহবতে ধন্য হয়ে ছিলেন আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)। তিনি যেমন স্বভাবের ও প্রকৃতির ছিলেন তাঁর মুর্শিদ ছিলেন তেমন স্বভাবের ও প্রকৃতির একজন একজন মহান বুযুর্গ ছিলেন। এজন্য দেখা যায়, পরবর্তীতে তিনি তাঁর মুর্শিদের অবিকল ছায়ার মত হয়েছিলেন। হযরত গড়কাপনি (রহঃ) খুব সুক্ষ্মভাবে ইলমে তরীকতের বিষয়গুলি পরখ করতেন এজন্য তিনি খেলাফত প্রদানে কঠোর ছিলেন। জানা যায়, আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহঃ)ছাড়া তিনি আর কাউকে খেলাফত প্রদান করেননি।

পরবর্তীতে হযরত শিঙ্গাইরকুড়ি (রহ) তাঁর পীর ও মুর্শিদের নির্দেশক্রমে হযরত শাহ সুফী আল্লামা ইয়াকুব বদরপুরী (বুন্দাশিলী) (রহ) এর নিকট বায়আত গ্রহণ করে তাঁর নিকট থেকে চিশতিয়া, কাদিরীয়া, নকশবন্দিয়া মুজাদ্দিদিয়া ও মূহাম্মদিয়া তরীকার খেলাফত লাভ করেন।

আশিকে রাসুল হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)ঃ ইশকে রাসুল অর্জন ছাড়া ইলমে মারিফাত অর্জন সম্ভব নয়। ফানা ফির রাসুল স্তরে উত্তীর্ণ তরীকতের শায়খগণের মাঝে সাধারণত ইশকে রাসুলের প্রাবল্য থাকে। হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)আমল-আখলাক, সীরাত ও সুরতে সুন্নতে নববির পুর্ণ অনুসারী ছিলেন। তাঁর গোটা জীবন কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা মত অতিবাহিত করেছিলেন। সর্বাবস্হায় তাঁর মাঝে ইশকে রাসুলের ধারা বিদ্যামান ছিল। তিনি নিয়মিত মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দুরুদ ও সালাম পেশ করার সময় তাঁর অবস্হার পরিবর্তন হয়ে যেত এবং চেহারার মাঝে নুরানী রৌশনী ঝলক দিত। এ নুরানী রৌশনীতে গোটা মাহফিল আলোকিত হওয়ার মতো ঘটনা তাঁর জীবনে বিভিন্ন সময়ে ঘটেছে।

আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (রহ) এর সাথে আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)এর সম্পর্কঃ উপমহাদেশের প্রখ্যাত ওলীয়ে কামিল, শায়খুল মাশায়িখ, শামসুল উলামা আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (রহ) এর সাথে আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)এর খুব আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। বদরপুর সিনিয়র মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে উভয়ের মাঝে গভীর সম্পর্ক সৃষ্ঠি হয়েছিল। তা ওফাত পর্যন্ত অটুট ছিল। রামপুর আলিয়ায়ও একই সময়ে উভয়ে অধ্যয়ন করেন।

সত্যবাদিতাঃ জগতে যারা আল্লাহর মাহব উব বান্দা হয়েছেন, যারাই আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হয়েছেন তাঁদের সকলেই ছিলেন সত্যের দিশারী। মহাসত্যের সন্ধানে তাঁরা ছিলেন আত্ননিয়োজিত। সত্য-সাধনাই ছিল তাঁদের জীবনের মুল্ল উদ্দেশ্যে। তাই তাঁরা সত্য-মিথ্যা, হক-বাতিল ও ন্যায়-অন্যায়ের ক্ষেত্রে ছিলেন আপোষহীন। সত্যের সন্ধানী হযরত শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ) এর ব্যতিক্রম ছিলেননা। তিনি সদা সত্যবাদী ও স্পষ্ঠভাষী ছিলেন। মিথ্যার প্রলেপ ও সত্যের অপলাপ তাঁর নিকট অসহনীয় ছিল। কোন মুসলমান মিথ্যা কথা বলতে পারে এটা তিনি সহজে মেনে নিতে পারতেন না। গিবত-পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা, মিথ্যা অপবাদ আরোপ, হিংসা বিদ্বেষ ইত্যাদি ছিল তাঁর চক্ষুশুল। যারা এ ধরণের কর্মে লিপ্ত তাদের প্রতি তাঁর প্রচন্ড ঘৃণা ছিল। এ ধরণের কাজে তিনি খুব মর্মাহত হতেন।

আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ) এর তাকওয়াঃ
একদা ছাব (রহ) এর খুব জ্বর উঠলো। জ্বরের মাত্রা এতো বেশী ছিল যে, কয়েকদিন থেকে জ্বর কমছে না দেখে সবাই বললেন ছাব, আপনি যদি তায়াম্মুম করে নামায পড়েন তাহলে আপনার ক্ষতি করবে। কারো কথা না শুনায় ডাক্তার ও বারবার বললেন, ছাব আপনি তায়াম্মুম করে নামায পড়ুন। না হলে আপনার ক্ষতি করবে। ছাব (র) বললেন, না আমি তায়াম্মুম করে নামায পড়ব না, আমি ওযু করেই নামায পড়বো। কেননা, তায়াম্মুমে নামাযের কিছু নোকছান / কমতি হয়। এভাবেই উনি নামায পড়তে লাগলেন। পরে জ্বর ২২ দিন পরে কমেছিল। কিন্তু উনি তায়াম্মুম করে নামায পড়েন নাই।

আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)এর কারামাতঃ
আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ) এর জীবনে অনেকগুলি কারামাত সংঘটিত হয়েছিল, নিচে কয়েকটি তুলে ধরা হল।

কবরে আযাব দেখে পানি ছিটিয়ে দেয়াঃ
একদা হযরত আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)সকাল বেলা বেউর গ্রামে আসছিলেন। গ্রামের জামে মসজিদের উত্তরপার্শ্বে গোরস্হান। তিনি গোরস্হানের পাশ দিয়ে আসতে আহ কবরটি আগুনে জ্বলে গেল- বলে পেরেশান হয়ে গেলেন। পরক্ষণে নিকটস্হ খাল থেকে এক আঁজলা পানি তুললেন এবং তাতে ফুঁক দিয়ে সংশ্লিষ্ঠ কবরের উপর ছিটিয়ে দিলেন। কথিত আছে জনৈক পাপীষ্ঠা মহিলা বিষপানে আত্নহত্যা কুরলে আগেরদিন তাকে ঐ গোরস্হানে দাফন করা হয়েছিল। (কারী রইছ আলী খান শাহবাজপুরী (রহ) এটি বর্ণনা করেছেন )

মরা গরু জীবত হলো ঃ হযরত আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)এর এক মেয়ের বিয়ে আপ্যায়নের জন্য একটি গরু কেনা হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের রাতে হঠাৎ ফাস লেগে গরুটি মারা যায়। এতে সকলেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। মরা গরু যেহেতু ফেলা দেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই, তাই ফেলে দেবার জন্য পাশের বাড়ির জনৈক (ডালুর বাবা) কে ডাকা হয়। এ মন সময় শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ) ফজর নামাজের জন্য ওযু করে মসজিদে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি উনাকে জানানো হলো, তিনি একাকী গরুর ঘরে গিয়ে কিছুক্ষণ থেমে মসজিদে চলে গেলেন। আল্লাহর তায়ালা কুদরতের বিচিত্র লীলা বুঝা মুশকিল। নিশ্চত মরা গরুটি জীবিত হয়ে ঘর থেকে বের হয়ে হেটে হেটে পুকুর পাড়ে চলে গেল।

উল্লেখ্য এই গরুটি জবাই করে বর পক্ষকে আপ্যায়ন করা হয়।

পাতিল ভেঙ্গে গেলোঃ গোলক নামে এক হিন্দু একবার হযরত আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)এর কাছে একটি মাঠির পাতিলে কিছু পানি নিয়ে তাতে ফুঁক দিতে বলে। তিনি ফুঁক দিলেন। লোকটার বোধ হয় এই ফুঁক দেওয়াতে পুর্ণ আস্হা আসেনি। তাই সে পুণরায় ফুঁক দিতে অনুরোধ করে তিনি তাকে মানা করেন। কিন্তু নাছোড় বান্দার মত সে আবদার করতে থাকে। তার আব্দারের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পুণরায় ফুঁক দিলেন। ফুঁক দেয়ার মুহুর্তেই পাতিলটি ভেঙ্গে খানখান হয়ে যায়। বিস্ময়কর এ কান্ড দেখে উপস্হিত সকলে হতবাক হয়ে পড়েন।

ইন্তেকালঃ আল্লাহপাকের মাহবুব বান্দা হযরত আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)১৯৮১ সালের ১৩ই অক্টোবর ৭০ বছর বয়সে পরম প্রিয় মনিব ও মাওলার সান্নিধ্যে পাড়ি দেন। হযরত আল্লামা শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ)তাঁর জীবদ্দশায় বাড়ির মসজিদের উত্তর পার্শ্বে তাঁর কবরের জায়গা দেখিয়ে যান। এখানেই তাঁকে চির শয়ানে সমাহিত করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে সর্বস্তরের মানুষ গভীর শোকাহত হয়ে পড়ে। একান্ত প্রিয়ত্ম এ মহান মানুষের ইন্তিকালে পর বিরহ-কাতর ভক্তবৃন্দের মনের প্রশান্তিস্হল হয়ে উঠে তাঁরই শেষ আভাস এ কবরগাহ। দুর-দুরান্ত থেকে অনেক কষ্ঠ করে আল্লাহর ওলীর কবর যিয়ারতে মানুষ আস্তে থাকে। এখনও প্রতিদিন এখানে যিয়ারতকারীর সমাগম হয়। প্রতি বছর ১লা জানুয়ারী উনার নিজ বাড়ীতে উনার ঈসালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আল্লাহপাক আমাদেরকে যেন এই মহান ওলীর আদর্শ অনুসরণ করার তৌফিক দান করেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং আমাদের তাঁর রূহানী ফায়য নসীব করুন, আমীন।

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   সিলেট জেলা কৃষক লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
  •   বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবে এএসপি রফিকুল হোসেনকে সম্মাননা
  •   ছাত্রলীগ না করে চাকরি করো: ছাতকের ইউএনও
  •   বিশ্বনাথে পপির আত্মহত্যা: র‌্যাব-পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ২
  •   ‘নতুন মিশনে’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন
  •   নিজের নিরাপত্তা চেয়ে যুবলীগ নেতা শামিমের জিডি
  •   বানিয়াচংয়ে নবাগত ওসি রঞ্জন সামন্তের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়
  •   সিরিয়া যুদ্ধে তুর্কি মিত্রবাহিনীর ৪৬ জন নিহত
  •   এস.এম.পি ও রেঞ্জ পুলিশের খেলা গোলশূন্য ড্র
  •   বড় ভাইয়ের নির্দেশে আবরারকে ডেকে এনে মুখে কাপড় দিয়ে মারা হয়: সাদাত
  •   বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইউনুছ আলী সংবর্ধিত
  •   মোগলাবাজারে বৈদ্যুতিক পোল চুরিকালে সাত জন আটক
  •   জাউয়াবাজার উপজেলা বাস্তবায়নের দাবিতে লন্ডনে সভা
  •   বিদেশ থেকে অবৈধ টাকা আসে ইমরানের কাছে, দাবি প্রাক্তন স্ত্রীর
  •   প্রাথমিকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়