আজ বুধবার, ২২ অগাস্ট ২০১৮ ইং

কী এই নতুন 'সুইসাইড গেম' মোমো?

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৮-০৮-১০ ০১:০১:৩৫

গত বছর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইন্টারনেটভিত্তিক আত্মহত্যায় প্রচারণা দেওয়া গেম 'ব্লু হোয়েল'। এবছর তেমনই আরেকটি প্রাণঘাতী ‘গেম’ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব জুড়ে। যার নাম ‘মোমো চ্যালেঞ্জ সুইসাইড গেম’। এবার তা ছড়িয়ে পড়ছে জনপ্রিয় জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে। ফলে, কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যার ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে শিশুদের অনলাইন গেম ‘মাইন ক্রাফট’-এও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ‘মোমো’। এরই কবলে পড়ে ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনার ১২ বছরের একটি কিশোরী আত্মহত্যা করেছে।

মূলত সেই ‘ব্লু হোয়েল’-এর জায়গা নিয়েছে ‘মোমো চ্যালেঞ্জ সুইসাইড গেম’। ব্রিটেনের একটি ওয়েবসাইট ‘দ্যসান.কো.ইউকে’ জানাচ্ছে, এই প্রাণঘাতী ‘গেম’ ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, আমেরিকা, ফ্রান্স ও জার্মানিতে। এমনকি নেপালেও। একটি ওয়েবসাইট ‘নিউজ.কম.এইউ’-এর খবর, আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ারসে ‘মোমো চ্যালেঞ্জ সুইসাইড গেম’-এর ফাঁদে পড়ে আত্মঘাতী হয়েছে ১২ বছরের একটি কিশোরী।

পুলিশ সূত্র বলছে, হোয়াটসঅ্যাপে ‘মোমো’র ছবি শেয়ার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বাড়ির পিছন দিকের জমিতে ১২ বছরের মেয়েটির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্রিটেনে এখনও ছড়ায়নি ওই ‘গেম’। হোয়াটসঅ্যাপে ‘গেম’টা চলছে বলে দ্রুত তা ভারত-সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

‘মোমো’ কী? ‘মোমো’ একটি মেয়ের ছবি। যার দু’টি চোখ কোটর থেকে ঠেলে বেরিয়ে আসছে। তার পা দু’টি পাখির মতো। পায়ের আঙুল ও নখগুলি বড় বড়। মুখটা অসম্ভব রকমের চওড়া। মাথাটা লম্বা। চুলগুলি খুব কালো। দু’টি কানের পাশ দিয়ে তা অনেকটা পর্যন্ত নেমেছে। মাথার ওপরের দিকটা দেখলে মনে হবে, টাক আছে। তারই মাঝে কিছুটা জায়গা ছেড়ে ছেড়ে রয়েছে চুল। ‘মোমো’র এই ছবিটা এঁকেছিলেন এক জাপানি শিল্পী। মিদোরি হায়াশি। ওয়েবসাইট ‘দ্যসান.কো.ইউকে’ জানাচ্ছে, শিল্পী হায়াশি কোনো ভাবেই জড়িত নন এই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া ‘গেম’টির সঙ্গে। ২০১৬ সালে টোকিওর ‘ভ্যানিলা গ্যালারি’তে একটি শিল্প প্রদর্শনীর জন্যই ওই ‘মোমো’র ছবি এঁকেছিলেন হায়াশি।

কোন ফোন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়ে এই ‘গেম’? এখন পর্যন্ত যে খবর, তাতে হোয়াটসঅ্যাপের এই ‘গেম’টি জাপানের আইএসডি কোডসহ ৩টি ফোন নম্বরের। আর কলম্বিয়ার আইএসডি কোডসহ ২টি এবং মেক্সিকোর আইএসডি কোডসহ আরও একটি নম্বরের সঙ্গে সংযুক্ত।

কোথায় উৎপত্তি এই ‘গেম’-এর? মেক্সিকোর একটি পুলিশ ইউনিট যারা অনলাইন অপরাধ নিয়ে কাজ করে, তারা বলছে, ‘‘এটা শুরু হয় ফেসবুকে। কেউ কেউ একে অন্যকে প্রলুব্ধ করে একটি অপরিচিত ফোন নম্বরে ‘কল’ করার জন্য। তবে সেখানে একটি সতর্কতা দেওয়া ছিল।’’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   এক মুরগির দাম যখন দেড় কোটি!
  •   পানি নিয়ে যুদ্ধ বেধে যেতে পারে পাকিস্তানে
  •   হেঁচকি বন্ধ করার কয়েকটি অব্যর্থ কৌশল
  •   পিতার কবরে পুত্রের প্রার্থনা
  •   গরু নিয়ে গুরুতর চিন্তা
  •   যৌনপল্লিতে ৪ জাপানি খেলোয়াড়, এশিয়ান গেমস থেকে বহিষ্কার
  •   সেই 'সেফুদা'র বিরুদ্ধে মামলা
  •   ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী ঝড় আঘাত হেনেছে বাংলাদেশে
  •   কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
  •   যেভাবে আটক হলেন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী 'কুত্তা মিলন'
  •   বড়লেখায় জমেছে ঈদের কেনাকাটা
  •   বড়লেখায় গরু বিক্রি না করেই হাট থেকে ফিরছেন ব্যবসায়ীরা
  •   শেষ সময়ে সিলেটে গরু ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত!
  •   চামড়া পাচার রোধে সিলেটে কড়া সতর্কতা
  •   পর্যটক বরণের অপেক্ষায় প্রকৃতিকন্যা সিলেট
  • সাম্প্রতিক আইসিটি খবর

  •   প্রেসার মাপতে ‘স্মার্ট গ্লাস’ আনছে মাইক্রোসফট!
  •   এবার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ
  •   ৫ মিনিট চার্জে কথা বলা যাবে ২ ঘণ্টা
  •   চলন্ত গাড়িতে আইফোন সিক্স বিস্ফোরণ (ভিডিও)
  •   ভুয়া অ্যাপ চেনার কিছু সহজ উপায়!
  •   হ্যাকিং থেকে বাঁচতে করণীয়
  •   ফেসবুক পেজ চালাতে নতুন নিয়ম, না মানলে বন্ধ!
  •   মোবাইল ফোনের নতুন কলরেট আজ মধ্যরাত থেকে
  •   গুগল পিক্সেল ৩ স্মার্টফোনের তথ্য ফাঁস
  •   নিজেদের ফোরজি ইকোসিস্টেমে নতুন স্মার্টফোন নিয়ে এলো গ্রামীণফোন
  •   বাতাস দিয়েই চলছে যে গাড়ি!
  •   আশ্চর্য গ্রহের সন্ধান!
  •   ডেটিং অ্যাপস আনছে ফেসবুক!
  •   গুগল ব্যবহার করে গুজব ঠেকাবেন যেভাবে
  •   অপটিক্যাল যুগে বাংলাদেশ