আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ ইং

পরিবেশ সংরক্ষণ: মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে হবে সবার আগে

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৮-০৬-০৫ ১৭:৩২:১২

আবদুল হাই আল-হাদী :: পরিবেশ সমসাময়িক পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ইস্যু। উন্নত-অনুন্নত, ধনী-গরীব, পাশ্চাত্য-প্রাচ্য সবখানেই পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। পরিবেশের মাটি, পানি, বাতাস দূষিত হয়ে পুরো পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। এক্ষেত্রে মূলত: দায়ি মানুষের সর্বনাশী বেপরোয়া কর্মকান্ড । মানুষ লোভের বশবর্তী হয়ে পরিবেশ ও প্রকৃতির বারোটা বাজাচ্ছে, পুরো দুনিয়াকে টেলে দিচ্ছে মারাত্বক ঝুঁকির দিকে। এক্ষেত্রে মানুষের লোভকে যেমন সংবরণ করা প্রয়োজন তেমনি প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন ঘটাতে হবে। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোজাগতিক পরিবর্তন ছাড়া পরিবেশ রক্ষা প্রায় অসম্ভব।

পৃথিবী জুড়ে পরিবেশ ধ্বংসের যেন চলছে এক মহোৎসব। শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা ও দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো। ভোগ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে প্রতিযোগিতা করে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিরও বিকাশ হয়েছে আকাশচুম্বি। উন্নত শিল্পপ্রধান দেশগুলো মুনাফার লোভে তৈরি করছে প্রাণঘাতি নানা প্রকার মারণাস্ত্র। জল, স্থল, আকাশ ও মহাকাশে চলছে নিজের ব্যবসা সম্প্রসারণ আর আধিপত্য বিস্তার ও সুসংহতকরণের প্রাণান্তকর চেষ্টা। শোষণ, মুনাফা, পুঁজির এককেন্দ্রিকরণ আর আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ব্যক্তি যেমন জড়িত তেমনি সম্পৃক্ত আছে উন্নত অনেক দেশ। সর্বগ্রাসী লোভের নেশায় মত্ত মানুষেরা নীতি-নৈতিকতা উপেক্ষা করে প্রকৃতি ও প্রাণকে যেনতেনভাবে উপভোগের নেশায় ছুটে চলছে। এ পৃথিবীর একটি সোনালী অতীত ছিল, একটি ভবিষ্যতও আছে মানুষ সে ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে ভুলে গেছে। ভবিষ্যত প্রজন্মেরও পৃথিবীর সম্পদ ও প্রকৃতিতে অধিকার আছে, লোভী মানুষের মনে সেটি একটিবারও কাজ করেনা।  সে কেবল বর্তমান চাহিদা মেটানো আর ভোগের চিন্তায় মগ্ন।

তার স্বপ্নে-জাগরণে-চিন্তায়-কর্মে কেবল ভোগ আর মুনাফা । এ চিন্তা বিকৃতির কারণে ব্যক্তিগতভাবে ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রকৃতির উপর নিপীড়ণ চালাচ্ছে মানুষ । এটি কখনো হচ্ছে সরাসরি, কখনো বা পরোক্ষভাবে। সরাসরি না পারলে মুনাফালোভী অনৈতিক ব্যক্তি ও সংগঠনের মাধ্যমে এসব পরিবেশবিরোধী কর্মকান্ড করানো হচ্ছে। এতে পুরো ধরিত্রী ক্রমশ: হুমকীর মুখে পড়েছে। পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি মানুষ যেন আজ ’ফ্রাঙ্কনস্টাইনরুপে আভির্ভূত হয়েছে।
পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি মানুষের সর্বনাশা এ নিপীড়ণের রুপ দেশ ও সমাজভেদে ভিন্ন। শিল্পপ্রধান পুঁজিবাদী উন্নত দেশগুলো শিল্পকারখানার মাধ্যমে দূষিত করছে পরিবেশ। সেসব কারখানার কাঁচামাল যোগাড় করতে করতে গিয়ে তারা নিজের দেশ এমনকি বাইরের দেশেও পরিবেশ ধ্বংস ও দখলে ইন্ধন দিচ্ছে। তাদের আধুনিক প্রযুক্তি আর সমরাস্ত্রের কারণে দূষিত হচ্ছে সাগর ও মহাকাশ। পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে, গলে যাচ্ছে এন্টার্ককটিকার জমাট বরফ। এতে সাগর সমতলে অবস্থিত দেশগুলো ক্রমশ: তলিয়ে যাওয়ার আশংকার মধ্যে রয়েছে। ওজোন স্তরের ক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে যেটি পুরো জীবের অস্তিত্বের জন্য হুমকি তৈরি করেছে। অনাকাঙ্খিত ও নতুন নতুন সব দুর্যোগের কবলে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে দেশও জনপদ। আবহাওয়া ও জলবায়ু বদলে  যাচ্ছে। তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের কারণেও পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে এটি মানুষের উপর মারাত্বক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

প্রকৃতির সীমিত সম্পদ দিয়ে ব্যাপক-অসীম চাহিদা মেটানোর জন্য লোভী মানুষের বেপরোয়া হাতের কাছে পরাজিত হচ্ছে প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক রীতি-রেওয়াজ। পাহাড়-টিলা কেটে বানানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদ আর কলকারখানা। ধ্বংস করা হচ্ছে প্রাকৃতিক বন ও সেখানকার প্রাণিকুলের বাসস্থান। কখনো রসনাবিলাসের জন্য মারা হচ্ছে পাখি আর প্রাণি । ঔষধ আর সৌখিনতার জন্য দূর্লভ ও মূল্যবান হাতি, বাঘ আর সাপকে হত্যা করা হচ্ছে। নদী , খাল আর জলাভূমি দখল ও দখলে প্রায় ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছে। শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালির বর্জ্যরে কারণে নদী ও জলাভূমির পানি দূষিত হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণির স্বাভাবিক বাসস্থান। বর্জ্যরে কারণে দূষিত হয়ে পড়ছে মাটি, ধ্বংস হচ্ছে এর প্রাকৃতিক গুণাগুণ। কীটনাশক, রাসায়নিক সার আর নানাপ্রকার কৃত্রিম উপাদানের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। বিভিন্ন প্রকার নিত্যনতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।  মোটা দাগে বলতে হয়, পুরো উদ্ভিদ ও প্রাণি জগত পরিবেশের বিপর্যয়ের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে।
বাংলাদেশও বর্তমানে মারাত্বক পরিবেশ বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে যদিও এদেশের ভূমিকা খুব কম, কিন্তু স্থানীয় পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবস্থান কোন অংশেই কম নেই। এখানকার নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওড়, পাহাড়-টিলা, বন ও বন্যপ্রাণি প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌছেছে। প্রতিদিন সংবাদপত্রে চোখ মেললেই পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহ সংবাদ দেখতে পাওয়া যায়। নদীগুলো দখল ও দূষণে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। পাহাড়-টিলা কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। বনজ সম্পদ ধ্বংসের মহোৎসব চলছে। বন্যপ্রাণি ও পরিযায়ী পাখীগুলো বিলুপ্তপ্রায়। এক প্রকার মরুকরণের প্রক্রিয়ায় যেন অগ্রসর হচ্ছে পুরো দেশ। অপরিকল্পিত নগরায়নে এক একটি নগর দূষণের চোরাবালিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও শিল্পের বর্জ্যে দূষিত হয়ে পড়েছে বাতাস ও নদীর পানি । নদী ও কোয়ারী থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে পাথর ও বালি আহরণ করতে গিয়ে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ধ্বংস করা হচ্ছে। বোমা মেশিনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ভূমিকম্পের আশংকা ক্রমশ: জোরদার হচ্ছে। আর্সেনিকের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। অকাল বন্যা, খরা, মৌসুমের পরিবর্তনসহ নানাবিধ পরিবর্তন ইতোমধ্যেই প্রকৃতিতে দেখা যাচ্ছে।     

পরিবেশ ও প্রকৃতির বিপর্যয়ের এ দু:সময়ে পৃথিবীব্যপি সচেতন ও বিবেকবান মানুষ জেগে উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের দূষণ রোধে আন্তর্জাতিক পরিসরে ইতিমধ্যে অনেকগুলো সম্মেলন হয়েছে। ধরীত্রি সম্মেলনও হয়েছে অনেকগুলো। পরিবেশবাদী, গবেষক, উন্নয়নকর্মী থেকে বিশ্বনেতারা এসব সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন, রেখেছেন সুপারিশ। বিশ্বনেতারা পরিবেশ দূষণ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। ওজোন স্তরের ক্ষয় রোধ ও কার্বন নি:সরণ কমানোর ব্যাপারে প্রায় ঐক্যমতে পৌছেছেন। জাতিসংঘও পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত অনেকগুলো ঘোষণা, চুক্তি ও সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে । পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ-ই এখন পরিবেশ, বন্যপ্রাণি ও প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য নিজস্ব আইন প্রণয়ন করেছে। অত্যন্ত কঠোরভাবে অনেক দেশে সেসব আইনের বাস্তবায়নও হচ্ছে। রাসায়নিক ও তেজক্রিয় পদার্থের ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে, বাড়িয়েছে নজরদারী। মানুষ হত্যার ন্যায় গুরুতর ফৌজদারী অপরাধের মতো অপরাধ হিসেবে তারা পরিবেশ দূষণকে দেখার চেষ্টা করে। সামষ্টিক মুনাফার জন্য বিশেষ করে যেখানে রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা আছে, সেখানেও নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে তারা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কাজগুলোকে নিজ দেশের পরিবর্তে গরীব-অনুন্নত দেশে অন্যের মাধ্যমে করিয়ে নিচ্ছে।

প্রকৃতি ও পরিবেশের সংরক্ষণের যাত্রায় বাংলাদেশ কোনভাবেই পিছিয়ে নেই।  শিল্পপ্রধান উন্নত দেশগুলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য মূখ্যত দায়ী হলেও সেসব দেশ নিজেদের পরিবেশ সংরক্ষণে অত্যন্ত সচেতন ও আন্তরিক। বিশেষ করে, ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে লোকেরা অত্যন্ত সচেতন ও সাবধানী। সেসব দেশের নদী-পাহাড়-টিলা-বনভূমিকে অত্যন্ত যতœ করে সংরক্ষন করা হয়। কিন্তু আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনভাবেই পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য অনেকগুলো আইন আছে, আছে বিধিমালা। পরিবেশ আদালতও স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু কোনভাবেই পরিবেশের দূষণ ও বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিন সংবাদপত্র খুললেই দেখা যায়-নদী, খাল, জলাভূমি দখল ও দূষণের সংবাদ; দেখা যায় পাহাড়-টিলা কাটার ভয়াভহ চিত্র। বর্জ্যরে কারণে দূষণের সংবাদও দেখা যায়। কারখানা ও যানবাহণ দ্বারা বায়ু ও শব্দ দূষণের খবর নতুন নয়। মানুষ নিজের স্বার্থে  মুনাফার কারণে যখন যেভাবে ইচ্ছে, সেভাবেই পরিবেশ ধ্বংস করছে। প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষী একশ্রেনীর মানুষ এর সাথে জড়িত। পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি দায়বোধ একভাগ থাকলেও মানুষ এসব কাজ করতে পারেনা।

আগেই উল্ল্যেখ করা হয়েছে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আইনের কোন অভাব নেই। প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে আমাদের পৃথক মন্ত্রণালয় আছে, আছেন মন্ত্রী, আমলা। পরিবেশ অধিদপ্তর, নদী কমিশন, বনবিভাগ, হাওর উন্নয়ন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ অনেক সংস্থা আছে আইনের বাস্তবায়নের জন্য। কিন্তু তারপরও কেন পরিবেশ সংরক্ষণ করা যাচ্ছেনা? কেন দিনের পর পরিবেশ আরও বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে? এর প্রথম ও প্রধান কারণ যদি বলা হয়, তবে বলতে হবে- আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের অভাব। কিন্তু কেবল আইন দিয়ে, ভয় দেখিয়ে কিছুতেই পরিবেশ সংরক্ষণ করা যাবেনা, এটি কখনও সম্ভব নয়। পরিবেশ দূষণের ও ধ্বংসের প্রধান স্টেকহোল্ডার হচ্ছে মানুষ। মানুষ-ই পরিবেশের বিপর্যয়ের প্রধান এজেন্ট। সে মানুষেরা পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রণীত আইনগুলো জানেনা-তা কিন্তু নয়। তারা জানে এবং অধিকাংশ সময় জেনে-বুঝেই এসব বেআইনি কাজ করে। অনেক সময় শাস্তির মুখোমুখিও হতে হয়। তারপরও কেন মানুষ পরিবেশ বিধ্বংসি কাজে লিপ্ত হয়? এটির জবাব মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে নিহিত রয়েছে। পরিবেশ ও প্রকৃতি প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে-পরিবেশ তো কেবলই মানুষের ভোগ-বিলাসের জন্য ও মানুষ যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে পরিবেশের উপাদানগুলো ব্যবহার করতে পারে । এ দৃষ্টিভঙ্গির একটি প্রতিফলন দেখা যায উচুঁ ও জলাভূমির ক্ষেত্রে। সমতল স্বাভাবিক এবং এর ব্যতিক্রম অস্বাভাবিক-মানুষের মনোজাগতিক এ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে নিজের গাটের টাকা খরচ করে নিজের এত সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন পাহাড়-টিলা কেটে সমতল করে ফেলে। বনের প্রানি ও বৃক্ষলতা কাটাকে সহজাত অধিকার  মনে করে সেগুলো ধ্বংস করা হয়। নদীদখল ও তাতে ময়লা ও বর্জ্য ফেলা হয় কারণ মনে করা হয় যে নদী কেবল এসব বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য! এসব দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোজাগতিক বদ্ধমূল ধারণার পরিবর্তন ছাড়া কেবল আইন দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ সম্ভব নয়। সেজন্য পরিবেশে সংরক্ষণ করার জন্য মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে হবে সবার আগে। নাহলে, যত কঠোর আইন-ই করা হোক না কেন , পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কেবল অধরাই থেকে যাবে।       

আব্দুল হাই আল-হাদী : প্রাবন্ধিক ও পরিবেশকর্মী

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   আইয়ুব বাচ্চু আর নেই
  •   টিলাগড়ে ছাত্রলীগ কর্মী হত্যা: অপেক্ষা বিচারের
  •   কুমিল্লা সফরে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ
  •   সি‌লে‌টে সমা‌বে‌শের অনুম‌তি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট
  •   বালাগঞ্জে গ্রাম আদালতের ‘কমিউনিটি মতবিনিময় সভা’ অনুষ্ঠিত
  •   বালাগঞ্জের বোয়ালজুড় ও ইলাসপুর বাজারে মন্টুর গণসংযোগ
  •   যুক্তরাজ্যের ইস্ট লন্ডন যুবলীগের বিবৃতি
  •   আমরা একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই: ড. মোমেন
  •   শেখ রাসেলের যত কথা
  •   পাবলিক ফিগার, এজন্য এত কথা সহ্য করি: পিয়া
  •   ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা: 'গ' ইউনিটে ফেল, 'ঘ' ইউনিটে প্রথম!
  •   ‘আমাকে শাড়ি খুলতে বলেছিল, নওয়াজ দাঁড়িয়ে দেখছিল'
  •   'সালমান খান ও তার ভাইয়েরা মিলে আমাকে ধর্ষণ করেছিল'
  •   নারীদের তুলনায় 'গোপন কষ্ট ' বেশি লুকিয়ে রাখে পুরুষরা!
  •   অটোচালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি!
  • সাম্প্রতিক সাহিত্য খবর

  •   বাবুইর হাসি
  •   লন্ডনে ৮ম বাংলাদেশ বইমেলা ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর
  •   এসবিএসপি-আরপি ফাউন্ডেশন সম্মাননা পাচ্ছেন যারা
  •   'বুনন' এর আয়ােজনে কবিতা গল্প আড্ডা
  •   আজ একটা ভালবাসাময় ঈদ কার্ড পেলাম
  •   কবি ও কবিতার আসরের উদ্যোগে পথ শিশুর মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ
  •   খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে বিএনপি; কুড়েঘর ভেঙে যাওয়ার আশংকা
  •   সাংবাদিক আব্দুল বাছিত বাচ্চু এখন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি
  •   বন্ধুবর আব্দুল্লাহ চেয়ারম্যানকে স্মরণ করছি
  •   দান-সদকার উত্তম সময় রমজান
  •   ‘ওরে মন, হবেই হবে’
  •   রমজানে মনীষীরা যেভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতেন
  •   আজ অনন্ত বিজয়ের মৃত্যুবার্ষিকী
  •   তরুণ কথাসাহিত্যিক রণজিৎ সরকারের জন্মদিন আজ
  •   এমন ভণ্ডদের আমি বন্ধুতালিকায় দেখতে চাই না