আজ মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

পনেরো ও একুশে আগস্ট হত্যাকান্ড: মদদদাতা একই পরিবার

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৮-০৮-২১ ১৬:১৫:১২

সুজাত মনসুর :: পনেরো আগস্ট উনিশ পঁচাত্তর এবং একুশে আগস্ট দু’হজার চার সালের মধ্যে বছর গত বিবেচনায় ব্যবধান উনত্রিশ বছর হলেও দিনের ব্যবধান হিসেব করলে মাত্র এক সপ্তাহ। খুবই কাছাকাছি সময। ঘটনার এবং আক্রমনের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যও কিন্তু একই। লক্ষ্যবস্তু একই পরিবার, একই দলের নেতা-কর্মী। আর নেপথ্য নায়ক বা মদদদাতা বলি আর হুকুমদাতাই বলি একই পরিবার। পিতা-মাতা-পুত্র। উদ্দেশ্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ হাসিনাকে হত্যার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে ক্ষমতায় বসানো, ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করা এবং স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অগ্রগাযাত্রাকে ব্যাহত করা। যদিও দু’টো ঘটনায় বা হত্যাকান্ডে আক্রমনের ধরন ভিন্ন। পনেরো আগস্টে যারা হত্যা মিশনে অংশ নিয়েছে তারা ছিলো সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং চাকুরিচ্যুত বা অবসরভোগি কিছু সৈনিক ও কর্মকর্তা। আর একুশে আগস্ট হত্যাকান্ড বা গ্রেনেড হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ধর্মীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর কতিপয় খুনীকে। আরেকটি বিষয় এখানে বলা যায়, তাহলো সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপ প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান নিজে সরাসরি মুখ্য ষড়যন্ত্রকারী না হলেও সে সম্পূর্ন বিষয়টি আগাগোড়াই জানতো এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকারি এবং মুখ্য ষড়যন্ত্রকারীরা যাতে নির্বিঘ্নে কাজটি করতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ইঙ্গিতও দিয়েছিলো।

অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউতে যে গ্রেনেড হামলা চালানো হয় তার মুখ? ষড়যন্ত্রকারী, মদদদাতা এবং পরিকল্পনাকারী কিন্তু তারই কুপুত্র, বর্তমানে বিলেতে পালিয়ে থাকা তারেক রহমান। দু’টি ঘটনার ক্ষেত্রে পিতা-পুত্রের ভুমিকা পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষ হলেও একজন ব্যক্তির ভুমিকা কিন্তু ছিলো উভয় ক্ষেত্রে একই রকম। যাকে বলা যায় ঘটনা দু’টোর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ স্বাক্ষী। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তিনি তা সবিস্তারে জানতেন এবং তার নিশ্চিত সম্মতি ছিলো। তিনি বেগম খালেদা জিয়া।

আমরা যদি পনেরোই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারবর্গের নির্মম হত্যাকান্ডের পুর্বাপর বিষয়টি একটু গভীরে গিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার-বিশ্রেষন করি তাহলেই জিয়াউর রহমানের যে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি ভুমিকা ছিলো তা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে ধরা দেবে। জিয়াউর রহমান সকল সময়েই একজন উচ্চাবিলাসী ও রহস্যঘেরা চরিত্রের অধিকারী ছিলো। তার পুরো জীবনটাই ছিলো শঠতা আর ধুর্ততায় পুর্ন। শুধু তাই নয় সে ছিলো ঠান্ডা মাথার একজন খুনি। তা নাহলে নিজের এক নম্বর হবার খাযেশ পুরণ এবং ক্ষমতার পথকে কন্টকুক্ত করার মানসিকতা থেকেই নিজের জীবন রক্ষাকারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভুল পথ ও ব্যক্তির মাধ্যমে বিপ্লব সাধনের স্বপ্নে বিভোর কর্নেল তাহেরকে ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে পারতো না। সামান্যতম মানবিক গুনাবলীর অধিকারী হলে বা কৃতজ্ঞতাবোধ থাকলেও তার পক্ষে এটা করা সম্ভব ছিলো না। এছাড়া তার শাসনামলে হাজার হাজার সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের বিনাবিচারে হত্যার কাহিনীতো আছেই।

জিয়াউর রহমানের এক নম্বর হবার শখ বরাবরের। যেমন ছিলো খুনী খন্দকার মুশতাকের। মুশতাক যেমন বঙ্গবন্ধুকে মাওলানা ভাসানী যখন আওয়ামিী লীগের এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক করে মুশতাককে দুই নম্বর যুগ্ম সম্পাদক করেন, তখন মুশতাক বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি বলেই শেষ জীবনে এসে হলেও বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ নিযেছে, তেমনি জিয়াউর রহমানও স্বাধীনতার পর নিজের স্থলে শফিউল্লাহ্‌কে সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। তাই দেখা যায় পনেরো আগস্টের হত্যাকান্ডে তার এবং মুশতাকের ভুমিকা একই। আরেকটি বিষয় আমাদের মনে রাখা দরকার, প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে খন্দকার মুশতাক পাকিস্তানের সাথে একটি কনফেডারেশন করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অপরাধে মুজিবনগর সরকার তার সকল ক্ষমতা কেড়ে নেয়। একইভাবে আমরা দেখি মুক্তিযুদ্ধের এক পর্যায়ে জিয়াউর রহমানকে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যদিও পরে তাকে আবার জেড ফোর্সের প্রধান করা হযেছিলো। এক নম্বর হবার খায়েশ যে জিয়াউর রহমানের ছিলো তার আরেকটি প্রমান হলো ১৯৭১ সালে ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তার প্রথম ঘোষনা। তাকে যখন পাকিস্তানী জাহাজ থেকে বাঙালি নিধনের অস্ত্র খালাসরত অবস্থায় ধরে এনে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে ঘোষনা দেবার কথা বলা হয়, তখন সে প্রথম ঘোষনায় নিজেকে বিপ্লবী সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করে। পরে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতৃত্বের চাপে সে ঘোষনায় পরিবর্তন এনে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু মনের গভীরে রাষ্ট্রপতি হবার খায়েশটি পুশে রেখেছিলো ঠিকই। তাইতো যখন সুযোগ এসেছে তখনই কাজে লাগিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত হত্যা-ক্যুর মাধ্যমে হলেও দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছে এবং যে পথে এসেছিলো সে পথেই আবার তাকে চলে যেতে হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের যে একটি পরোক্ষ কিন্তু সক্রিয় ভুমিকা ছিলো তার প্রমান পরবর্তিতে খুনী ফারুক রহমানের বক্তব্যে এবং খুনীদের বিচার না করে বরং আইন করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার বন্ধ করা ও খুনীদের বিভিন্নভাবে পুনর্বাসন এবং পুরস্কৃত করা। আত্মস্বীকৃত খুনি ফারুক রহমান মিডিয়াতে পরিষ্কারভাবে এবং সদম্ভে বলেছে পনেরো আগস্টের হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের সমর্থন ছিলো। তারা যখন জিয়াউর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেছে তখন সে বলেছে, আমি সিনিয়র সুতরাং আমার পক্ষে সরাসরি কিছু করা সম্ভব নয়। তবে তোমরা এগিয়ে যাও আমার সমর্থন থাকবে। পঁচাত্তরের পনেরো আগস্ট পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে ম্যাডাম জিয়ার শাসানমল পর্যন্ত, মধ্যখানে এরশাদের শাসনামলের নয় বছর ঐ খুনিদের বিচারের আওতায় আনা যায়নি এবং ফারুক রহমান ঘোষনাই দিয়েছিলো তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, কেউ তাদের বিচার করতে পারবে না। ২১টি বছর বিচারতো হয়নিই বরং জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যেমন যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব, রাজনৈতিক অধিকার এবং প্রধানমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী এমপি বানিয়েছিলো তেমনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকেও খালেদা জিয়া ছিয়ানব্বুই সালের পনেরো ফেব্রুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনে আমাদের পবিত্র সংসদে নির্বাচিত হয়ে আসার সুযোগ করে দিয়েছিলো।

এতো গেলো সংক্ষিপ্তভাবে পনেরো আগস্টের হত্যাকান্ডের সাথে জিয়া পরিবারের জড়িত থাকার বর্ননা। বিস্তারিত হয়তো একদিন কোন ঐতিহাসিক ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য লিখে যাবেন। এখানেই কি শেষ? না উনত্রিশ বছর পর আবারো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। উনত্রিশ বছর আগে খুনিরা যে কাজটি শতভাগ সম্পন্ন করতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বিদেশে থাকার কারনে, তাই করার চেষ্টা করা হয় একুশে আগস্ট বঙ্গবন্ধু কন্যার উপর গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে। যদিও সে সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করছিলেন। তবে ঘাতকদের ধারনা ছিলো যদি শেখ হাসিনাকে শেষ করা যায় তাহলে আর শেখ রেহানা হয়তো আর রাজনীতিতে যুক্ত হবার সাহস দেখাবেন না। কি হতো সেটা অবশ্যই ভবিষ্যতই বলতে পারবে। তবে যদি ঐদিন শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের হত্যা করা সম্ভব হতো তাহলে আওযামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির পুনরুত্থান ও অগ্রযাত্রা আরো কম করে হলেও ত্রিশ বছর হয়তো ঠেকিয়ে রাখা যেতো। আর তা করা সম্ভব হলে ততোদিনে আর বাংলাদেশ, বাংলাদেশ থাকতো না তা জিয়া পরিবারের সাধের পাকিস্তান হয়ে যেতো। কিন্তু আল্লাহ্ মেহেরবান। আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ২৪জন নেতা-কর্মী সেদিন নিহত হলেও, ভাগ্যক্রমে শেখ হাসিনা বেঁচে যান, বেঁচে যায় বাংলাদেশের ভাগ্যহত মানুষ। তাইতো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়, ফাঁসি হয়। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার হয়, ফাঁসি হয়। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়। বিচার চলছে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলারও। হয়তো আগামী মাসেই রায় হতে পারে।

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাটি বিচারধীন তাই হয়তো বিস্তারিত আলোচনা করা সমীচিন হবে না। তবে এ পর্যন্ত মামলার স্বাক্ষী, তদন্ত রিপোর্ট এবং আলামত থেকে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তাহলো এই হামলার পুর্বাপর ঘটনার সাথে জিয়া পুত্র তারেক রহমান প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। শুধু তারেক রহমান নয় জোট সরকারের কতিপয় মন্ত্রীও সরাসরি জড়িত। যার মধ্যে যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মুজাহিদ(ইতোমধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে) এবং জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত লুৎফুজ্জামান বাবর অন্যতম।

স্বাক্ষী-সাবুদ এবং তথ্য-প্রমানে যা বের হয়ে এসেছে বা ফুটে উঠেছে তাতে করে যে বিষয়টি আজ স্বতঃসিদ্ধ প্রতিষ্ঠিত তারেক রহমানই হলো একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার হোতা, মাস্টারমাইন্ড। তাঁর দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের আখড়া হাওয়া ভবনে বসেই সকল পরিকল্পনা সম্পন্ন করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী খুনিদের নিয়োগ দেয়া হয়, অস্ত্র ও টাকা-পয়সার ব্যবস্থা করা হয়। উদ্দেশ্য একই, বাবার মতো ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করা এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অঙ্গে পরিণত করা।

আগেই উল্লেখ করেছি পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র এবং একুশে আগস্ট শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ স্বাক্ষী কিন্তু একজনই তিনি হলেন জিয়া পরিবারের ঘসেটি বেগম খালেদা জিয়া। পঁচাত্তরে তিনি ছিলেন জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এবং ২০০৪ সালে সরকার প্রধান। তিনি সবই জানতেন এবং প্রচ্ছন্ন মদদ দিতেন। নতুবা একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর যখন এনএসআই-এর জনৈক কর্মকর্তারা তার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন, তখন তিনি ঐ কর্মকর্তাকে বলেছিলেন এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে। কেননা বিষয়টি তিনি নিজেই দেখবেন। তিনি ঠিকই দেখেছিলেন জর্জ মিয়া নাটক সাজিয়ে। সুতরাং পনেরো আগস্টর হত্যাকান্ড এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় যে জিয়া পরিবার জড়িত এবং মদদদাতা তাতে সন্দেহের কোন অবকাশ আছে কি?


লেখক: যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক, কলামষ্টি

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   ‘তিনটা মাসের কষ্টের ফল পাবে আগামীর বাংলাদেশ’
  •   বিশ্বনাথে ওরুসের নামে অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধে স্মারকলিপি
  •   কুলাউড়ায় মেজর (অব.) নুরুল মান্নান চৌধুরীর মাতার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
  •   শাবিতে ইংলিশ ফুটবল ফেস্টে চ্যাম্পিয়ন এফসি হট কেকস
  •   হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, আটক দুই
  •   নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা
  •   বালাগঞ্জে ক্রীড়া সংগঠক নওশাদ আলীকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান
  •   বালাগঞ্জের নলজুড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ
  •   বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এ ধারা অব্যাহত থাকবে: বালাগঞ্জে জেলা প্রশাসক
  •   ৬ মাসে ৩ বিয়ে, ৩ সন্তান! বিতর্কে ফুটবলার
  •   ভারতের জয় ছাপিয়ে আলোচনায় পাকিস্তানি সুন্দরী
  •   কিডনি স্টোন বের করার অভিনব পথ আবিষ্কার রোগীর!
  •   ১৭টি প্রাসাদে কিমের বিলাসী জীবন
  •   যে শহরে যমজ শিশুর জন্ম ১০ গুণ বেশি!
  •   প্রেমিকার চুম্বনে প্রাণ রক্ষা প্রেমিকের!
  • সাম্প্রতিক মুক্তমত খবর

  •   ‘তিনটা মাসের কষ্টের ফল পাবে আগামীর বাংলাদেশ’
  •   নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা
  •   'তোমাকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমি-ই ভাগ্যবান'
  •   নিঃশর্ত ভালোবাসায়ই আমার এই দ্বিতীয় জীবন: রশীদ আহমদ
  •   এই দিন দিন নয় আরও দিন আছে
  •   কামাল হোসেনই বিএনপির শেষ ভরসা
  •   মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ডা. দেওয়ান নুরুল হোসেন চঞ্চলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  •   কারবালার শিক্ষা
  •   অাবহাওয়ার হৃদয় বৃত্তান্ত
  •   তুমি চলিয়া গেলে দিয়া মোরে ফাঁকি...
  •   কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে আমি পছন্দ করি: পরীমণি
  •   সিনেমা ভাঙলে মিলন আনন্দ দেয় বিচ্ছেদ কাঁদায়
  •   আসন্ন জাতীয় নির্বাচন: জোট ও ভোটের হালচাল
  •   বুক ভরা আশা নিয়ে ঘুমিয়ে থাকো শিশির ভেজা দূর্বাদলে
  •   বাঙালী নিয়ে রামমাধবের ঔদ্ধত্যের থ্রি ডি