আজ রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

মাইল্ড স্ট্রোক সম্পর্কে যা জানা জরুরি

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৮-০৬-১১ ০০:৫২:৪৬

মাইল্ড স্ট্রোককে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট স্কিমিক অ্যাটাক বা টিআইএ। এটা দুই ধরনের হয়, একটা রক্তক্ষরণজনিত বা হেমোরেজিক স্ট্রোক এবং আরেকটি হলো স্কিমিক স্ট্রোক, এতে রক্তক্ষরণ হয় না।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক অসিত বরন অধিকারী জানিয়েছেন, স্ট্রোক বলতে সাধারণত মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটাকে বুঝানো হয়। এটা দুই ধরনের হয়, একটা রক্তক্ষরণ জনিত বা হেমোরেজিক স্ট্রোক এবং আরেকটি হলো স্কিমিক স্ট্রোক, এতে রক্তক্ষরণ হয় না।

মাইল্ড স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী?
অধ্যাপক অধিকারী জানিয়েছেন, ট্রানজিয়েন্ট স্কিমিক অ্যাটাক বা মাইল্ড স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হলো, অল্প সময়ের জন্য কেউ জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে। সেটি ১৫ সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে। এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় রোগীর হাটতে হাটতে মাথা ঘুরতে পারে। বসা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরতে পারে।

আর পরের দিকে, যখন সেরিব্রাল ইনফ্লাক্স হয়ে যায়, তখন রোগী অচেতন হয়ে পড়তে পারে। অবস্থা আরো খারাপ হলে সেই সঙ্গে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়া এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।

অন্যদিকে, হেমোরেজিক স্ট্রোকের লক্ষণ নির্ভর করে মস্তিষ্কে কতটা রক্তক্ষরণ হয়েছে তার ওপর।

অধ্যাপক অসিত বরন অধিকারী, চেয়ারম্যান, কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগ, বিএসএমএমইউ
যদি অল্প রক্তক্ষরণ হয়, তাহলে মাথাব্যথা, ভার্টিগো বা মাথা ঘোরা থাকবে। রক্তক্ষরণের পরিমাণ একটু বেশি হলে শরীরের কোন একটি অংশ অবশ হয়ে যেতে পারে।

কিভাবে বোঝা যাবে মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে?
অধ্যাপক অধিকারী বলছেন, প্রাথমিকভাবে যদি দেখা যায় কোন আপাত সুস্থ মানুষ হঠাৎ হাঁটাচলায় ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়, অথবা মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছে, অথবা যদি দেখা যায় সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের কোন অংশ হঠাৎ অবশ হয়ে গেছে, তাহলে বুঝতে হবে তার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে। এছাড়া হয়ত দেখা যাবে কেউ হঠাৎ হাত বা পা নাড়াতে পারছে না, কিংবা মুখটা এক পাশে বাঁকা হয়ে গেছে।

করণীয় কী?
লক্ষণগুলো দেখা মাত্র দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এরপর সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করে দেখতে হবে এটা কি স্কিমিক স্ট্রোক না হেমোরেজিক স্ট্রোক।

অধ্যাপক অধিকারী জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় খুব জরুরী। যত আগে চিকিৎসা শুরু হবে, রোগীর সুস্থ হবার সুযোগ তত বেশি থাকবে।

কিভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানো যাবে?
যে কোনো ব্যক্তি যদি চর্বি জাতীয় খাবার ও ধূমপান এড়িয়ে চলে, হাইপার টেনশন থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন, তবে অনেকটাই এড়ানো যাবে মাইল্ড স্ট্রোকের ঝুঁকি। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে। শারীরিক কসরত করতে হবে।-বিবিসি

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   সাতচল্লিশটি বিজয়ে আমাদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি
  •   ৯নং ওয়ার্ডে নৌকার পক্ষে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের গণসংযোগ
  •   একই সঙ্গে প্রেমিকা ও বাড়ি খোয়ালেন ম্যারাডোনা!
  •   বিয়ে হতে না হতেই প্রিয়াঙ্কার সন্তানের গুঞ্জন!
  •   'আপনার মত কামালকে দেখে নেওয়ার জন্য আমি মতিয়া একাই যথেষ্ট'
  •   ড. কামালের দুঃখ প্রকাশ
  •   বিয়ে করছেন অভিনেতা সিয়াম
  •   ড. কামালকে ধন্যবাদ জানালেন যুবলীগ চেয়ারম্যান
  •   সিলেট-৪ আসনে প্রচারণায় দুই হেভিওয়েটের সহধর্মিনী
  •   মহান বিজয় দিবস আজ
  •   সিলেটে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সময় পরিবর্তন
  •   বিজয় দিবসে লাল সবুজে আলোকিত সিলেট নগরী
  •   সিলেটে ‘নির্বাচনী ব্যস্ততায়’ বেড়েছে ডাকাতি
  •   সিলেট-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর পোস্টারে নেই জিয়ার ছবি
  •   সিলেটে মোমেনের সাথে নৌকায় প্রবাসীরাও