আজ বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০ ইং

হেলমেট-নম্বরপ্লেট নেই, তারপরও চালককে কেক খাওয়াল পুলিশ

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-১১-২২ ১৮:০৯:৫৪

সিলেটভিউ ডেস্ক :: বাংলাদেশের নতুন সড়ক আইন অনুযায়ী সড়কে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালালে বা প্রতিযোগিতা করার ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে চালককে তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। সড়কে গাড়ি চালিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হত্যা করলে মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। বাংলাদেশে যখন সড়ক আইন নিয়ে এত কড়াকড়ি তখন থাইল্যান্ডে ঘটেছে এক অবাক করার ঘটনা। হেলমেট নেই, নম্বর প্লেট নেই। এমনকি গাড়িও চালাচ্ছিলেন নির্ধারিত গতির চেয়েও বেশি। অথচ পুলিশ তাকে শাস্তি না দিয়ে কি না কেক খাওয়াল!

হ্যাঁ, অবাক করার মতো হলেও থাইল্যান্ডে এমনটিই ঘটেছে। তবে এখানে পুলিশের এমন আচরণের অবশ্য ভিন্ন কারণও আছে।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গতির ঊধ্র্বসীমার থেকেও বেশি জোরে বাইক চালানোর জন্য এক কিশোরকে ধরে থাইল্যান্ডের ট্রাফিক পুলিশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাকে শাস্তি না দিয়ে কেক খাইয়ে বিদায় জানায়। পরে তার সঙ্গে এমন আচরণের রহস্য জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন আরেক পুলিশ কর্মকর্তা।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘হেলমেট, নম্বরপ্লেট ছাড়াই ওই কিশোর বাইক চালাচ্ছিল। তার গতিও ছিল যথেষ্ট বেশি। পুলিশ তাকে আটকায়। পুলিশ ধরতেই হঠাৎ সে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ওই পুলিশকর্মী প্রথমে ভেবেছিলেন, জরিমানার ভয়ে সে কান্নাকাটি শুরু করেছে। কিন্তু কিশোরের এমন কান্না দেখে সন্দেহ হয় তাদের। জিজ্ঞেস করায় সে এবার সব খুলে বলে। সে জানায়, সেদিন তার জন্মদিন, কিন্তু বাড়ির সবাই সেটা ভুলে গিয়েছে। সেই দুঃখে, রাগে সে জোরে বাইক চালাচ্ছিল।’

এরপর পুলিশ আর তাকে জরিমানা করেনি। উল্টে সামনের দোকান থেকে কেক-মোমবাতি কিনে এনে জন্মদিন পালন করেন পুলিশকর্মী। এসময় ফের কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই কিশোর। কিন্তু এবার আর দুঃখে কান্না নয়, আনন্দে।

সৌজন্যে :: জাগোনিউজ২৪
সিলেটভিউ২৪ডটকম/২২ নভেম্বর ২০১৯/জিএসি

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন