আজ শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০ ইং

নেতৃত্ব পেলে মহানগর আ.লীগকে সুসংগঠিত করবেন ভিপি কুটু

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৯-১২-০২ ২১:২০:৪৬

সিলেটভিউ ডেস্ক :: আব্দুল হানিফ কুটু, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক পরীক্ষিত সৈনিক। ছাত্রজীবন থেকেই গণতান্ত্রিক আর ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। যার কারণে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়েছে তাকে। ত্যাগী ও সংগ্রামী ছাত্রনেতা হিসেবে রাজপথে উজ্জল নক্ষত্র ছিলেন কুটু।

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সিলেট সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮৬-১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে মনোনীত হয়ে সিলেট এমসি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯১-১৯৯২ সালে পুনরায় সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।

ছাত্র রাজনীতিতে সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য কুটু ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব হতে বিচ্যূত হননি। আব্দুল হানিফ কুটু ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে ছাত্রলীগের একজন নেতা হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহন করেন। এম.সি ও সিলেট সরকারি কলেজের ভিপির দায়িত্ব পালনের সময় তৎকালিন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বহু ধরণের নির্যাতনের শিকার হন কুটু। বিরোধীদের বিভিন্ন মামলায় কারাবরণ করেন এবং তার বাড়িঘরে  হামলা চালানো হয়। অনেক নির্যাতনের পরও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল আস্থা রেখে দলের জন্য কাজ করে গেছেন। বর্তমানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে তিনি নিজ এলাকা ছাড়াও অন্যান্য এলাকাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

আব্দুল হানিফ কুটু ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৪ আসন থেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদন্ধিতা করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রার্থনা করেছিলেন। পরে তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নেন। আব্দুল হানিফ কুটু ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের বিভিন্ন আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পক্ষে নিজ খরচে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা চালান। যার কারনে তিনি বিএনপি-জামায়াতের রোষানলে পড়েন।

আওয়ামীলীগ পরিবারের একজন সদস্য এবং আওয়ামীলীগ সমর্থন করার কারনে আব্দুল হানিফ কুটু ১৯৮২, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮ সালে কারাবরণ করেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সবকটি মামলা থেকে ইতিমধ্যে তিনি খালাস পেয়েছেন। তিনি ২০০৭ সালে জারিকৃত জরুরি অবস্থা চলাকালে মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। নানারকম নির্যাতন উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের আদর্শের রাজনীতিতে অটুট থেকে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন তিনি।

তৃনমুলের নেতা হিসেবে মুজিব সৈনিকদের নিয়ে কুটু দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। নিজের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দলের সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে পেতে চান নেতৃত্ব। নেতৃত্ব পেলে দলকে সুসংগঠিত এবং কর্মীবান্ধব করে তুলতে পারবেন বলে দৃঢ় বিশ্বাস আব্দুল হানিফ কুটুর।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/২ ডিসেম্বর ২০১৯/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন