আজ সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০ ইং

নগরীতে কোরবানির পশুর মাংস কেনাবেচায় 'হিড়িক' !

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২০-০৮-০১ ২০:৪৬:২০


সাকলিন হক :: প্রতি বছর কোরবানির ঈদে সিলেটসহ সারাদেশে বিত্তবানদের দেওয়া পশু কোরবানির গোস্তের ভাগ পেতে বাড়ি ভিড় জমান সমাজের নিম্নআয়ের মানুষেরা। দারিদ্রতার হাফ ছেড়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে অসহায় এসব মানুষেরা সারাদিনের সংগ্রহকৃত মাংসের কিছুটা রাখেন পরিবার নিয়ে রেঁধে খেতে। অন্যদিকে সংগ্রহ করা মাংসের বেশির ভাগ বিক্রি করে দেন পেটের দায়ে।

এবারের ঈদেও ঘটেনি এর ব্যাতিক্রম। ঈদের দিন নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলে কেজি-বস্তা হিসেবে নিম্নআয়ের মানুষের মাংস বিক্রি। এসব মাংস ক্রয়ে ভিড় জমান সমাজের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ।   

নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট, রেজিস্টারি মাঠ সংলগ্ন পয়েন্ট, হাউজিং এস্টেট পয়েন্ট (আরকেডিয়া মার্কেটের সামনে), সুবিদ বাজার সংলগ্ন পয়েন্টসহ নগরীস্থ প্রায় সবগুলো মোড়-পয়েন্টে চলে মাংস কেনাবেচার কার্যক্রম। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় এমন দৃশ্য।

ক্রেতা-বিক্রেতা সুত্রে জানা যায়, কেজি প্রতি এসব মাংস বিক্রি হচ্ছে দেড়শ থেকে দু\\\'শ টাকা দরে। কেউ কিনছেন কেজিতে আবার কেউবা বস্তা হিসেবে।

এ ব্যাপারে আম্বরখানা পয়েন্টে মাংস বিক্রি করতে আসা জয়নাল মিয়া প্রদিনিধিকে বলেন, সারাদিন মানুষের বাসায় বাসায় কোরবানির পশু জবাই আর মাংস কাটার কাজ করে মজুরি হিসেবে যে ৫/৬ কেজি মাংস পেয়েছি তার অর্ধেকটা বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছি। বাকিটা নিজের জন্য রেখে দিয়েছি। তাছাড়া আমার পরিবার গ্রামের বাড়িতে থাকায় এগুলো খাওয়ার মানুষ নেই। নষ্ট না করে বিক্রি করে দেওয়া ভালো।

রেজিস্টারি মাঠ সংলগ্ন পয়েন্টে কোরবানির পশুর গোস্ত কিনতে আসা আব্দুল মালেক সিলেটভিউ২৪ডটকম-কে জানান, করোনার কারণে হাতে এবার টাকা-পয়সার টানাটানি। তাই কোরবানি দিতে পারিনি। কিন্তু পরিবারের বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে এসেছি গোস্ত কিনতে। ধর্মে বলা আছে, ঈদ অথবা উৎসবে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে হয়।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/১ আগস্ট, ২০২০/মোজাম্মেল

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন