আজ শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং

অভিনেত্রী বাঁধনে মুগ্ধ ভারতের সেই পরিচালক

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০২১-০৫-২৭ ১৯:৪১:২৫

সিলেটভিউ ডেস্ক :: ভারতের আলোচিত নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সৃজিত মুখার্জি বাংলাদেশের আরেক অভিনেত্রী মিথিলার দ্বিতীয় স্বামী। প্রথম স্বামী কণ্ঠশিল্পী তাহসানের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মিথিলা।

গত ডিসেম্বরে ভারতে গিয়ে ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ শিরোনামের ওয়েব সিরিজটির শুটিং শেষ করে আসেন বাংলাদেশের আরেক অভিনেত্রী ডা. আজমেরী হক বাঁধন।

গত ২৬ মে ডাবিং এবং আবহসংগীত শেষের মাধ্যমে সিরিজটি মুক্তির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করেন সৃজিত। আর এদিন বাঁধনের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে সিকিমের চূড়ায় তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে তাকে সম্মান জানালেন সৃজিত।

বাঁধনকে নিয়ে সৃজিত লেখেন, ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’র ডাবিং-আবহসংগীত ফাইনালি শেষ করলাম। বাঁধন তার চরিত্রটির জন্য যেভাবে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন- সেটির জন্য তাকে টুপিখোলা সম্মান জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিকূল পরিবেশে শুটিং করে, শুটিংয়ের জন্য প্রচুর সময় চেয়ে নেওয়ার পরও আপনি মুশকান জুবেরীকে জিতিয়ে দিয়েছেন ও আমাকে গর্বিত করেছেন।’

সৃজিতের এ মুগ্ধতায় অভিভূত বাঁধন জানান, ছবিটি গত বছরের ১০ জানুয়ারি তোলা। ছবিতে তার মুখের মেকআপটি ছিল বিমান দুর্ঘটনার পরের দৃশ্যগুলোর জন্য নেওয়া। শুটিং প্যাকআপের পর সেদিন ছবিটি তুলতে তুলতে সৃজিত তাকে বলছিলেন, ‘ধন্যবাদ আমাকে ভুল প্রমাণ না করার জন্য। আমার এখনও বিশ্বাস, তুমি ছাড়া এই চরিত্রটি এতোটা প্রপারলি তুলে আনতে পারতাম না।’  

বাংলাদেশের লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের উপন্যাস ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ অবলম্বনে সিরিজটি প্রযোজনা করেছে ওটিটি প্লাটফর্ম হইচই। সিকিমের জিরো পয়েন্ট ও পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান-দুর্গাপুর এলাকায় প্রতিকূল পরিবেশে সিরিজটির শুটিংয়ে অংশ নেন বাঁধন। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র তথা মুশকান জুবেরীর ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে।

বাঁধান ছাড়াও খরাজ খাসনবিশ চরিত্রে অঞ্জন দত্ত, নিরুপন চন্দ চরিত্রে রাহুল বোস, আতর আলী চরিত্রে অনির্বাণ ভট্টাচার্য ও ওসি তপন শিকদার চরিত্রে অনির্বাণ চক্রবর্তী সিরিজটিতে অভিনয় করেছেন। শিগগিরই সিরিজটি মুক্তি পাওয়ার কথা।



সৌজন্যে :  যুগান্তর
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-১২

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন